সপ্তাহের প্রথম দিনেই রাজ্য রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা। বিধানসভার অন্দরে বিজেপির তুমুল হট্টগোল এবং বাইরে মন্ত্রীর বিক্ষোভের মুখে পড়ার ঘটনা রাজ্যজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
আজ বিধানসভার অধিবেশন শুরু হতেই কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বক্তব্য রাখছিলেন, ঠিক তখনই বিজেপির তোলা মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ করে দেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এর প্রতিবাদে বিজেপির বিধায়করা তুমুল চিৎকার শুরু করে দেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে অধ্যক্ষ শঙ্কর ঘোষ এবং মনোজ ওঁরাওকে সাসপেন্ড করেন। এর পরেই বিজেপির সব বিধায়ক ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং পরে ওয়াকআউট করে বিধানসভার বাইরে এসেও প্রতিবাদ জানান। বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “ন্যায্য কিছু বলতে গেলেই সাসপেন্ড করে।”
এদিকে, রবিবার গভীর রাতে খিদিরপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে জনতার তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। স্থানীয়দের অভিযোগ, দমকলকে খবর দেওয়ার তিন ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। বিধ্বংসী আগুনে শত শত দোকান ভস্মীভূত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং মন্ত্রীর সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন।







