নিজস্ব সংবাদদাতা : ব্যারাকপুরে শ্যুটআউটের জেরে আতঙ্কে ব্যারাকপুরের বাসিন্দারা । ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তার দাবিতে থানায় বিক্ষোভ করেছে । এই ঘটনায় ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকায় মিছিলও করেন । ঘটনার প্রতিবাদে ব্যারাকপুর ও পলতায় বন্ধ সব সোনার দোকান। ব্যারাকপুরের সিপির অফিসে স্মারকলিপিও পেশ করা হয়।
বুধবার ২৭ বছরের একটা তরতাজা প্রাণ মাত্র এক মিনিট সাঁইত্রিশ সেকেন্ডের অপারেশনে এক নিমিষে শেষ হয়ে গিয়েছে। ভরসন্ধেয় ব্যারাকপুর ভরা বাজারের মধ্যে , এই ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সবাই শিউরে উঠেছেন । স্বাভাবিকভাবেই ব্যারাকপুরের সোনার দোকানে ঢুকে, ব্য়বসায়ীর ছেলেকে গুলি করে। এই মর্মান্তিক খুনের ঘটনায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নের মুখে পড়েছে ।এলাকারই সাংসদ, তৃণমূল নেতা অর্জুন সিংহ এই পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ । অর্জুনের বক্তব্যের পাশে দাঁড়ান মদন মিত্রও। অর্জুন বলেন, ‘ পুলিশ-প্রশাসনকে বলব, আমার নিরাপত্তা তুলে নিক, ব্যারাকপুরটাকে নিরাপদ করতে হবে। ‘ পাল্টা, কটাক্ষের সুরে সৌগত রায় বলেন, ‘ সময় সময়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে, কেন্দ্রীয় সরকারকে ডেপুটেশন দিন।’
ব্যারাকপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ছেলেকে খুনের প্রতিবাদে আজ ব্যারাকপুর ও পলতায় সোনার দোকান বন্ধের ডাক দিয়েছে ব্যবসায়ী সমিতি। এর পাশাপাশি, আনন্দপুরী এলাকায় সমস্ত দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন ব্যবসায়ীরা। যদিও বুধবার ভরসন্ধেয় আনন্দপুরী এলাকায় সোনার দোকানে লুঠে বাধা দেওয়ায় ডাকাতদের গুলিতে মৃত্যু হয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ছেলে নীলাদ্রি সিংহর। খুনের ২ দিন পর পুলিশশের হাতে ধৃত ২ জন ।
সূত্রের খবর, শনিবার ব্যারাকপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতার ২ জন । তারা দুজনে সম্পর্কে মামা ও ভাগ্নে । পুলিশ সূত্রে খবর, ২৪ মে, আনন্দপুরীর সিংহ জুয়েলারি হাউসে ডাকাতির সময় মামা জামশেদ আনসারির সঙ্গেই ছিল ভাগ্নে সফি খান। সূত্রের খবর পুলিশ জানিয়েছে , মামা-ভাগ্নে মিলে ব্যারাকপুর ও হাওড়ার একাধিক জায়গায় ডাকাতির ছক কষে। ভাগ্নে সফি কামারহাটির বাসিন্দা হলেও জামশেদের বাড়ি ঝাড়খণ্ডে। আর কোথায় কোথায় ডাকাতির পরিকল্পনা ছিল,সমস্ত বিষয়ে ধৃতদের কাছ থেকে তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ ।







