মাঠে বিশ্বজয়ের পর এবার অর্থনৈতিক সাফল্যের মঞ্চেও ইতিহাস গড়তে চলেছেন হরমনপ্রীত কৌররা। বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে নেওয়ার পর থেকেই ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটারদের ব্র্যান্ড ভ্যালু আকাশছোঁয়া। বিজ্ঞাপন সংস্থা থেকে শুরু করে বড় কর্পোরেট—সবাই এখন স্মৃতি মন্ধানা, জেমাইমা রদ্রিগেজ, রিচা ঘোষদের পেছনে ছুটছে। কেউ কেউ পাচ্ছেন আগের তুলনায় দ্বিগুণ পারিশ্রমিক। নারী ক্রিকেটের এই উত্থান যেন কেবল মাঠে নয়, বাণিজ্য জগতেও এক নীরব বিপ্লবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে জেমাইমার অপরাজিত ১২৭ রানের ইনিংস যেন তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। আগে যেখানে বিজ্ঞাপনপিছু ৭৫ লক্ষ টাকা নিতেন, এখন সেটাই বেড়ে দেড় কোটিতে পৌঁছেছে। ইতিমধ্যেই ১০-১২টি নতুন ব্র্যান্ডের সঙ্গে আলোচনায় তাঁর ম্যানেজাররা। অন্যদিকে, ভারতীয় দলের রানমেশিন স্মৃতি মন্ধানা বর্তমানে ১৬টি ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বিজ্ঞাপন ফি-ও বেড়ে ১ কোটির কাছাকাছি পৌঁছাতে চলেছে।
অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরও পিছিয়ে নেই। ইতিমধ্যেই নতুন একাধিক চুক্তি সেরে ফেলেছেন তিনি। তরুণ তারকা শেফালি ভার্মা, রিচা ঘোষ, দীপ্তি শর্মারাও নতুন বিজ্ঞাপনের মুখ হতে চলেছেন। সূত্রের খবর, প্রতিটি ব্র্যান্ড নারী ক্রিকেটের নতুন শক্তি ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে তাঁদের উপস্থাপন করতে চাইছে।
বিশ্বকাপ চলাকালীন পিউমা, ইনস্টামার্ট, ব্লিঙ্কিটের মতো সংস্থাগুলি ‘উইমেন ইন ব্লু’-র জয়গাথা প্রচারে ব্যবহার করেছিল সোশ্যাল মিডিয়া। দর্শকদের সেই প্রবল সাড়া প্রমাণ করে দিয়েছে—নারী ক্রিকেট এখন কেবল খেলা নয়, এটি এক উদীয়মান ব্র্যান্ড। মাঠের বাইরে এই পরিবর্তনই হয়তো আগামী দিনে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় জয়।






