পশ্চিমবাংলার মহিলাদের জন্য তৃণমূল সরকারের প্রকল্প লক্ষীর ভান্ডার , যাকে এক কথায় , তৃণমূলের জয়ের অস্ত্র বলা যায় । সেই লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাচ্ছেন বাংলাদেশীরাও । বাংলার প্রথম সারির এক সংবাদমাধ্যম একান্তভাবে প্রকাশ্যে এনেছে এই খবর । ওই সংবাদমাধ্যমের সামনেই এক বাংলাদেশী স্বীকার করেন যে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পেতেন তিনি । আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই কটাক্ষের তির ছুঁড়ে দিয়েছে বিজেপি। আর কত বাংলাদেশী লক্ষ্মীর ভান্ডার পান ! তদন্তের দাবি জানিয়েছে গেরুয়া শিবির ।
বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের কথায় , “আমাদের করের টাকা থেকে কীভাবে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বাংলাদেশিদের অ্যাকাউন্টে ঢুকল? এই ২ কোটি ১৫ লক্ষ বাংলার মহিলাকে দেওয়া হয়। বহু সংখ্যক মহিলা, তাঁরা বাংলাদেশের, তাঁরাও টাকা পাচ্ছেন! কত সংখ্যক বাংলাদেশি মহিলাদের লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা দেওয়া হয়েছে, তার তদন্ত দাবি করি। আমাদের রাজ্যের ভাইবোনদের জন্য এই টাকা খরচ করা হোক, এটাই কাম্য।”
তবে তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী পাল্টা বলেন, “কেন তাঁরা জোড়াসাঁকো বিধানসভার ভোটার হবেন, কেন উত্তর লোকসভার ভোটার হবেন। কারণ তাঁরা বিহারি ও হিন্দি ভাষায় কথা বলে তাই। এটা তো প্রমাণিত, নির্বাচন কমিশন বলছে, ৪০ শতাংশ ভোটারকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। মাইগ্রেশন হয়েছে কিছু না কিছু।” অরূপ চক্রবর্তী আরও অভিযোগ করেন, “বর্ডার পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের। যদি কোনও মানুষ অত্যাচারিত হয়ে আসেন, তিনি শরণার্থী, সেটা সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। সেটা সঠিক প্রশ্ন! কিন্তু এই একই প্রশ্ন তো বড়বাজারের জন্যও প্রযোজ্য। তখন কেন শুভেন্দু অধিকারীরা চুপ?”







