রাজ্য

‘১০বছর লাগে অ্যান্টি পলিশন ডিভাইস লাগাতে?’ প্রশ্ন ফিরাদের

মাঝরাতেই শিয়ালদহ স্টেশনে আহতদের দেখতে পৌঁছে যান রাজ্যের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও স্নেহাশিস চক্রবর্তী। এরপর রাত ৩টে ২০ নাগাদ শিয়ালদহ ষ্টেশনে এসে পৌঁছয় সেই অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। এদিন রেলের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুমি তো দেখা গেল তাঁকে। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন তখন রেলের জন্য আলাদা বাজেট হতো।”

এখন সেসব বন্ধ। পাশপাশি রেলকে অভিভাবকহীন বলেও মন্তব্য করেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী। সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেছিলেন, “রেল প্যারেন্টলেস।”

ফিরহাদ হাকিমের কথায়, “মুখ্যমন্ত্রী যখন নিজে রেলমন্ত্রী ছিলেন, রেলের একটা আলাদা বাজেট হতো, রেলের আলাদা গুরুত্ব ছিল। রেল ভারতবর্ষের লাইফ লাইন। সারা ভারতকে জুড়ে রেখেছে রেল। এখন রেল মনে হচ্ছে অভিভাবকহীন, ছন্নছাড়া। মোদী সরকারের ১০ বছর হয়ে গেল। ১০ বছর লাগে অ্যান্টি কলিশন ডিভাইস লাগাতে?”

অন্যদিকে পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গে রয়েছেন। তিনি তদারকি করছেন। তাঁর নির্দেশেই আমি এবং ফিরহাদ হাকিম এসেছি। ছোট গাড়ি, মাঝারি গাড়ি, বাস সমস্তরকমই যানবাহন রাখছি এখানে। যাঁরা ট্রেনে আসছেন, তাঁদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য সরকার নিজে নিয়েছে। শুধু সরকারি গাড়ি নয়, বেসরকারি অপারেটর্সদের সঙ্গেও কথা বলা আছে। যা যা লাগবে আমরা করব।”

যদিও এই দুর্ঘটনাকে সামনে রেখে শাসকশিবির রাজনীতি করার চেষ্টা করছে বলে মনে করছে গেরুয়া দল। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সোমবারই বলেন, “এখন রাজনীতি করার সময় নয়। সারা জীবন পড়ে আছে রাজনীতি করার জন্য।”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.