রাজ্য রাজনীতির আঙিনায় নতুন জল্পনা। সদ্য মুক্তি পাওয়া রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর প্রযোজিত ছবি ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ ঘিরে এবার শুরু হয়েছে ভোট-চর্চা। ছবিতে লক্ষ্মী বারুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় এবং সরকারি প্রতিনিধি সুজন সামন্তর ভূমিকায় দেখা গেছে অঙ্কুশ হাজরা-কে। নন্দনে ছবির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই থেকেই টলিপাড়ায় গুঞ্জন—আসন্ন West Bengal Assembly Election 2026-এ কি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হতে চলেছেন অঙ্কুশ?
ছবিটি মুক্তির পর থেকেই আলোচনায়। যদিও বক্স অফিসে তেমন সাড়া ফেলেনি, ইউটিউবে মুক্তির পর ২২ মিলিয়নের বেশি ভিউ হয়েছে বলে জানা গেছে। অনেকের মতে, ভোটের আগে সরকারি বার্তা পৌঁছে দিতেই ছবিটি নির্মিত হয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটেই অঙ্কুশকে ঘিরে রাজনৈতিক সম্ভাবনার জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।
বৃহস্পতিবার কালীঘাটে প্রার্থী বাছাই বৈঠকে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই শোনা যায়, বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে অঙ্কুশকে প্রার্থী করা হতে পারে। যদিও তৃণমূলের অন্দরমহল সূত্রে এ নিয়ে স্পষ্ট কোনও বার্তা মেলেনি।
অঙ্কুশ নিজে অবশ্য জল্পনায় জল ঢেলেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তাঁকে কেউ কোনও রাজনৈতিক প্রস্তাব দেয়নি। এমনকি বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তাও করেননি। তাঁর কথায়, এখন সম্পূর্ণ মনোযোগ সিনেমাতেই।
তবে বাংলার রাজনীতিতে টলিপাড়ার উপস্থিতি নতুন নয়। অতীতে দেব, সোহম চক্রবর্তী-সহ একাধিক তারকা সক্রিয় রাজনীতিতে এসেছেন। ফলে অঙ্কুশের নাম ঘিরে জল্পনাও অমূলক নয় বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।
শেষ পর্যন্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত সবটাই অনুমান। তবে ভোটের মুখে রুপালি পর্দা আর রাজনীতির মেলবন্ধন যে আবারও চর্চার কেন্দ্রে, তা বলাই যায়।







