রাহুল গান্ধী শনিবার ২০১৪ সালের একটি মানহানির মামলায় নতুন জামিনদার পেশ করতে ঠানে জেলার ভিওয়ান্ডি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হন। মামলাটি দায়ের করেছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ-এর কর্মী রাজেশ কুন্তে। নতুন জামিনদার হিসেবে কংগ্রেসের মহারাষ্ট্র প্রদেশ সভাপতি হর্ষবর্ধন সাপকালে-র নাম উপস্থাপন করা হয়, যা আদালতে আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত হয়েছে।
ভিওয়ান্ডিতে যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীদের কালো পতাকা বিক্ষোভের মুখে পড়েন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। পরে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হয়, কারণ তাঁর আগের জামিনদার, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ পাটিল চক্রুকর, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রয়াত হন। নতুন জামিন বন্ডে স্বাক্ষরসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া প্রায় আধঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হয়।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুলের আইনজীবী নারায়ণ আইয়ার জানান, সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা সফলভাবে শেষ হয়েছে এবং বিচারব্যবস্থার উপর তাঁদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। ভবিষ্যতের শুনানিতে রাহুল ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে স্থায়ী অব্যাহতি পেয়েছেন বলেও তিনি জানান। উপযুক্ত সময়ে ডিফেন্সের পক্ষ থেকে সাক্ষীদের হাজির করা হবে। পাশাপাশি তিনি বলেন, জামিন সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় তদন্তকারী আধিকারিকের জেরা পুনরায় শুরু হবে, যদিও এদিন রাহুলের কোনও জেরা নির্ধারিত ছিল না।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় সোনালে গ্রামে এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে রাহুল দাবি করেন, মহাত্মা গান্ধীর হত্যার পিছনে সঙ্ঘের হাত ছিল। অভিযোগকারী কুন্তের দাবি, এই মন্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এতে সঙ্ঘের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় দায়ের হওয়া এই মানহানির মামলায় ইতিমধ্যেই অভিযোগকারীর জেরা ও পুনরায় জেরা সম্পন্ন হয়েছে।







