ইরান-আমেরিকা উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে, যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে গোটা পশ্চিম এশিয়াজুড়ে। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে কুয়েতে মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের খবর পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি কুয়েত বা আমেরিকা, তবুও ঘটনাটি কূটনৈতিক ও সামরিক মহলে যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইরানকে। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার মুখে, উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। আমেরিকার তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি না মানা হলে ইরানের জ্বালানি ঘাঁটিগুলিতে সরাসরি হামলা চালানো হতে পারে। পাল্টা তেহরানও হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার হুমকি দিয়েছে, যা বিশ্ব তেল সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে মার্কিন বিদেশ দপ্তর তাদের নাগরিকদের বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণ এড়াতে নির্দেশ দিয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, যে কোনও সময় বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
এরই মধ্যে কুয়েতে একটি ‘এফ-১৫ ই’ যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, এটি ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’-এর ফলে দুর্ঘটনা হলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ভিডিও ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠেছে। পাল্টাপাল্টি হামলায় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো তেলসমৃদ্ধ দেশগুলিও প্রভাবিত হয়েছে। ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।







