উত্তর প্রদেশের প্রতাপগড় জেলায় এক চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনায় প্রাক্তন গ্রামপ্রধান গুল হাসান(ওরফে মুস্তাকা গুলশান, মুন্না) নিহত হন। সোমবার জেঠওয়াড়া বাগিয়াপুরের এলাকার কাছে একটি খাল থেকে তার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
জানা যায়, গুল হাসানের দুই স্ত্রী ও মোট ১৮ জন সন্তান রয়েছে এবং সবাই একসঙ্গে বসবাস করতেন। এর মধ্যেই তিনি বিবাহিতা সুমন গৌতমের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। সুমনের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর তাদের সম্পর্ক দূরে সরে গেলেও গুল হাসান সেই সম্পর্ক ছাড়তে চাননি। অভিযোগ, তিনি সুমনকে পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চাপ দেন এবং ব্ল্যাকমেল করতে থাকেন।
এই পরিস্থিতিতে সুমন তাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, তিনি বাপের বাড়িতে ফিরে গিয়ে গুল হাসানকে দেখা করার জন্য ডাকেন। নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছালে আগে থেকেই ওত পেতে ছিলেন সুমনের ভাই অতুল গৌতম ও তার বন্ধু অরুণ গৌতম। সেখানে তিনজনে মিলে লোহার রড দিয়ে গুল হাসানের ওপর আক্রমণ চালায় এবং পিটিয়ে হত্যা করে।
খুনের পর তারা দেহটি বস্তায় ভরে খালের ধারে ফেলে দেয়। পরে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় এবং দ্রুত অভিযুক্ত তিনজনকেই গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।







