একসময় ‘মিস্টার সিকিউরিটি’ হিসেবে পরিচিত নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখন অনেকটাই নির্ভর করছে ভোটারদের রায়ের উপর। হামাসের হামলা প্রতিরোধে ব্যর্থতা এবং গাজা যুদ্ধের পরিণতি নিয়ে তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা ক্রমশ জোরালো হয়েছে। পাশাপাশি, বিচারব্যবস্থার সংস্কার, পশ্চিম তীরে ইজরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ এবং প্যালেস্তাইন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি নিয়েও রাজনৈতিক মহলে মতবিরোধ রয়েছে।
ইজরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে মোট আসন ১২০টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। ফলে কোনও দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে জোটের অঙ্ক। গাদি আইজেনকোটের মতো বিরোধী নেতাদের অবস্থানও রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষ করে অতি-ধর্মীয় ইহুদি সম্প্রদায়ের যুবকদের সামরিক বাহিনীতে যোগদান নিয়ে বিতর্ক জোটের স্থায়িত্বকে আরও জটিল করেছে।
সব মিলিয়ে, ভোটের ফলের পাশাপাশি পরবর্তী জোট আলোচনা নির্ধারণ করতে পারে নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকবেন, নাকি ইজরায়েলের রাজনীতিতে শুরু হবে নতুন অধ্যায়।







