খড়্গপুরে ভোটার তালিকা ঘিরে বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। ‘ডিলিটেড’ বা বাদ পড়া ভোটারদের ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দেওয়ায় দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় মানুষজন। খড়্গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থীর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দলমত নির্বিশেষে প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নাগরিকরা।
খড়্গপুরের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারের মাঝেই উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপির জেলা পার্টি অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান ‘ডিলিটেড’ ভোটাররা। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন এলাকায় অনুপস্থিত থাকার পর নির্বাচনের মুখে এসে সাধারণ মানুষকে ‘দেশদ্রোহী’ বলা দায়িত্বজ্ঞানহীন ও অপমানজনক। প্রতিবাদকারীদের সাফ বক্তব্য ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। পুলিশি বাধা সত্ত্বেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় প্রশাসনকে। বিক্ষোভকারীরা দলীয় অফিসের সামনে অবস্থান চালিয়ে যান এবং তাঁদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এই বিতর্কের মধ্যেই আরও এক ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সমর্থনে আয়োজিত র্যালিতে নিজের পরিচয় ও নথি হাতে নিয়ে উপস্থিত হন স্থানীয় যুবক সোমনাথ দাস। তবে র্যালি শুরুর আগেই পুলিশ তাঁকে সরিয়ে দেয়। পাশাপাশি তাঁর নথিপত্র কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটির ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। সমগ্র ঘটনায় দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া ঘিরেও বিতর্ক বাড়ছে। তিনি জানান, কেউ প্রতিবাদ করতে চাইলে সরাসরি সামনে এসে করুক, এ ধরনের অভিযোগকে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন না। ফলে খড়্গপুরের রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, আর ভোটের আগে এই ইস্যু বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।







