নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজনৈতিক উত্তাপ যখন চরমে, তখনই আচমকা এক ‘ঝালমুড়ি মুহূর্তে’ খানিকটা নরম হল বঙ্গের ভোট-আবহ। Narendra Modi-র হঠাৎ এই রাস্তার ধারের থামা এখন শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতেই নয়, রাজনৈতিক মহলেও জোর আলোচনার বিষয়।
ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে জনসভা শেষে হেলিপ্যাডে ফেরার পথে আচমকাই রাজ কলেজ মোড়ের একটি ছোট্ট ঝালমুড়ির দোকানে দাঁড়িয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। কনভয় থামিয়ে নিরাপত্তা বলয় ভেঙে এই হঠাৎ ‘লোকাল কানেক্ট’—প্রচারের চেনা ছকের বাইরে এক অন্য বার্তা।
দোকানির কাছ থেকে মাত্র ১০ টাকার ঝালমুড়ি কিনে খেতে শুরু করেন তিনি। সেই সময় দোকানির সরল প্রশ্ন—“পেঁয়াজ খান?”—এর উত্তরে মোদীর জবাব, “পেঁয়াজ খাতে হ্যাঁয়, লেকিন দিমাগ নহি খাতে হ্যাঁয়”—মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে খাবার বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ‘সংযোগ মাধ্যম’। Mamata Banerjee-কে কখনও দেখা গেছে চপ ভাজতে, কখনও চা বানাতে। সেই ধারাতেই এবার মোদীর ‘ঝালমুড়ি কূটনীতি’।
শুধু খাওয়া নয়, সেই ঝালমুড়ি ভাগ করে নেওয়ার দৃশ্যও নজর কেড়েছে। আশেপাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিশুদের দিকে ঠোঙা বাড়িয়ে দেন তিনি, কথা বলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে—একেবারে মাটির কাছাকাছি পৌঁছনোর প্রচেষ্টা।
এই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে দুই মেরুর প্রতিক্রিয়া।
শাসকদল ও সমর্থকদের মতে, এটি মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের আন্তরিক প্রচেষ্টা
বিরোধীদের দাবি, এটি নিছকই ক্যামেরা-কেন্দ্রিক ‘ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট’
তবে বিতর্কের মাঝেও একটা বিষয় স্পষ্ট—এই দৃশ্য সাধারণ মানুষের মনে দাগ কেটেছে।
২০২৬ সালের West Bengal Assembly Election 2026-এর আগে এই ধরনের ছোট কিন্তু প্রতীকী মুহূর্ত কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখনই বলা কঠিন। তবে বাংলার রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ‘খাবার’ যে শুধুই খাবার নয়—তা আবারও প্রমাণিত।







