রাজ্যে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি ঘিরে জটিলতা এবার সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, বাজেটে ঘোষিত ৪ শতাংশ ডিএ কার্যকর করার প্রক্রিয়া নির্বাচন কমিশনের অনুমতির অভাবেই আটকে রয়েছে।
মঙ্গলবার ব্যারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর সমর্থনে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এই ইস্যুতে স্পষ্ট অবস্থান নেন। তাঁর দাবি, প্রয়োজনীয় ফাইল প্রস্তুত থাকলেও নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে তা এগোচ্ছে না। ফলে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশা পূরণে বিলম্ব হচ্ছে। অন্যদিকে, ‘ভোটকর্মী অ্যান্ড বিএলও ঐক্য মঞ্চ’ এই বিষয়টিকে সামনে এনে প্রশাসনিক স্তরে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা শুরু করেছে। সংগঠনের প্রতিনিধিরা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে দেখা করে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। সংগঠনের বক্তব্য, ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ বাজেটে ঘোষণার পরও এখনও সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশ না হওয়া কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করছে।এদিকে ডিএ সংক্রান্ত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল বকেয়া পরিশোধ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ২০১৬-১৮ সালের বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। বিভিন্ন দফতর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের পাওনা দ্রুত মেটানোর চেষ্টা চলছে।
এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘বাজেটে বলেছিলাম ৪ শতাংশ ডিএ দেব। নির্বাচন কমিশন সেই ফাইল আটকে রেখেছে। আমি বলব, সরকারি কর্মচারীদের স্বার্থে দ্রুত ফাইল ছাড়ুন। এটা আপনাদের কাছে যাওয়ারই কথা নয়, কারণ এটি ভোটের আগের ঘোষণা। ইতিমধ্যেই ২৫ শতাংশ ডিএ দেওয়া হয়েছে। নতুন করে ঘোষণা করা ৪ শতাংশ ডিএ এপ্রিল মাসের বেতনের সঙ্গেই সরকারি কর্মীরা পাবেন। আমি যা কথা দিই, তা রাখি।







