রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি অন্যতম চর্চিত মুখ। সভামঞ্চে তাঁর তীক্ষ্ণ আক্রমণ আর দৃঢ় অবস্থান বারবার শিরোনামে উঠে আসে। কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও যে একেবারে অন্য মানুষ লুকিয়ে রয়েছেন, সেই ছবিই সামনে আনলেন শুভেন্দু অধিকারীর মা গায়ত্রী দেবী।
বাড়ির শুভেন্দু কেমন?
মায়ের কথায়, রাজনীতির ময়দানে যতই কঠোর দেখাক না কেন, বাড়িতে শুভেন্দু অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের। পরিবারের প্রতি তাঁর টান বরাবরই গভীর। ব্যস্ত রাজনৈতিক জীবনের মাঝেও বাবা-মা ও ভাইদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসেন তিনি। পরিবারের কাছে এখনও তিনি “ঘরের ছেলে” হিসেবেই পরিচিত।
ছোটবেলার শুভেন্দু কেমন ছিলেন?
গায়ত্রী দেবী জানান, ছোটবেলায় শুভেন্দু নাকি বেশ চঞ্চল ও দুরন্ত ছিলেন। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর স্বভাবে আসে বড় পরিবর্তন। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে ওঠেন সংযত ও দায়িত্ববান। মা-র কথায়, বড় হওয়ার পর তাঁকে বিশেষ বকাঝকা করার প্রয়োজনই পড়েনি।
অল্প বয়স থেকেই রাজনীতির প্রতি টান
পরিবারের রাজনৈতিক আবহেই বড় হওয়া শুভেন্দুর রাজনীতিতে আগ্রহ তৈরি হয়েছিল খুব অল্প বয়সে। কলেজ জীবনে ছাত্র রাজনীতি দিয়ে শুরু, তারপর ধাপে ধাপে জনপ্রতিনিধি হিসেবে উত্থান। জিএস পদ থেকে শুরু করে চেয়ারম্যান, বিধায়ক, সাংসদ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের ছাপ রেখেছেন তিনি।
খাবারের পাতে একেবারে খাঁটি বাঙালি
ক্ষমতা বা রাজনৈতিক পরিচয় তাঁর খাবারের পছন্দকে বদলাতে পারেনি বলেই জানালেন মা। এখনও সাধারণ বাঙালি খাবারেই সবচেয়ে বেশি স্বচ্ছন্দ শুভেন্দু।সকালে পছন্দ রুটি, সবজি ও ফল।দুপুরে মাছভাজা, ডাল আর পোস্ত থাকলেই খুশি।
আর প্রিয় মাছের কথা উঠতেই সবার আগে আসে ইলিশ। ইলিশ ভাপা বা ভাজা তাঁর বিশেষ পছন্দ।
রাতে ভারী খাবারের বদলে গরমকালে জলভাত ও আলুসেদ্ধ খেতেই বেশি ভালোবাসেন তিনি।
রাজনীতির কড়া লড়াইয়ের আড়ালে থাকা এই সহজ-সরল, পরিবারকেন্দ্রিক মানুষটির ছবিই মায়ের কথায় নতুন করে ধরা পড়ল।







