মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিল। আরেক মার্কিন সেনার মৃত্যুর পর ইরানের একাধিক স্থানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, ইরানের হামলার জবাব দেওয়া এবং হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার আগে নিজের সমাজমাধ্যমে কড়া বার্তা দিয়ে জানান, কোনও মার্কিন সেনার মৃত্যু হলে তার “কঠোর মূল্য” ইরানকে দিতে হবে। এরপরই মার্কিন বাহিনী নতুন দফায় সামরিক অভিযান শুরু করে।
গত কয়েকদিন ধরেই দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। মার্কিন বাহিনী ইরানের সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার মিত্র দেশ কুয়েত, জর্ডন, বাহরিন-সহ একাধিক দেশের দিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলি তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ সতর্কতায় রেখেছে।
এদিকে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ঘোষণা। তারা জানিয়েছে, লোহিত সাগরে সৌদি আরবের জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই সমুদ্রপথ আন্তর্জাতিক তেল পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রুট হওয়ায়, সেখানে অস্থিরতা তৈরি হলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ এবং তেলের দামে বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সব মিলিয়ে, আমেরিকা-ইরান সংঘাত নতুন মাত্রা পাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে।







