১ অগাস্ট থেকেই সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত ‘পিঙ্ক কার্ড’ পরিষেবা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রথম দিনেই সামনে এল গুরুত্বপূর্ণ আপডেট। পরিবহন দফতর জানিয়েছে, প্রকল্প চালু হলেও এখনও সব আবেদনকারীর হাতে পিঙ্ক কার্ড পৌঁছয়নি। ফলে অনেক মহিলাকেই আপাতত বাসে যাতায়াতের জন্য ভাড়া দিতে হচ্ছে।
সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ধাপে ধাপে সমস্ত যোগ্য আবেদনকারীর হাতে কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। তাই কারও হাতে এখনও কার্ড না এলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। কার্ড হাতে পেলেই সরকারি বাসে নির্ধারিত নিয়ম মেনে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা মিলবে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, মহিলাদের এই পরিষেবা চালু রাখতে রাজ্য সরকারকে বছরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, এই সুবিধা সকলের জন্য নয়। যাঁদের সত্যিই প্রয়োজন, শুধুমাত্র তাঁরাই পিঙ্ক কার্ড পাবেন। আর্থিকভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে না।
পরিবহন দফতরের নির্দেশিকা অনুযায়ী, কার্ড পাওয়ার পর সরকারি বাসে ওঠার সময় সেটি দেখিয়ে পরিচয় যাচাই করাতে হবে। যাচাই সম্পন্ন হলেই বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা মিলবে।
সরকারের দাবি, এই প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের জন্য গণপরিবহনকে আরও নিরাপদ, সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলা হবে। একই সঙ্গে দৈনন্দিন যাতায়াতে খরচ কমবে এবং সরকারি বাস ব্যবহারে আরও বেশি সংখ্যক মহিলা উৎসাহিত হবেন।
পরিবহন দফতর জানিয়েছে, কার্ড বিতরণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। তাই যাঁদের হাতে এখনও পিঙ্ক কার্ড পৌঁছায়নি, তাঁদের অল্প কিছুদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। এরপরই তাঁরাও এই নতুন পরিষেবার সুবিধা নিতে পারবেন।







