পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে প্রায় ১২৫ বছরের পুরনো একটি ঐতিহাসিক গুরুদ্বার ভেঙে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমতি ছাড়াই এক স্থানীয় ব্যবসায়ী ফারুকাবাদ এলাকার ঐতিহাসিক গুরুদ্বার শ্রী গুরু সিং সভা সাহিব ভেঙে দেন। ঘটনাকে ঘিরে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন স্থানীয় শিখ সম্প্রদায়ের সদস্যরা।
লাহোর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গুরুদ্বারটি শিখ ধর্মাবলম্বীদের কাছে ঐতিহাসিক ও ধর্মীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত। অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। পরে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন। সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী রমেশ সিং অরোরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আশ্বাস দিয়েছেন, গুরুদ্বারটি পুনর্নির্মাণ করা হবে এবং সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারতও। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক বিবৃতিতে বলেন, একটি ঐতিহাসিক শিখ ধর্মস্থল ভেঙে ফেলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এটি ধর্মীয় ঐতিহ্যের উপর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলার শামিল। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে ইসলামাবাদকে দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত গুরুদ্বার পুনর্নির্মাণ এবং পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।







