অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হল। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন বিধায়কের দাদা মিল্টন বিশ্বাস।
শনিবার সকালে ধুলিয়ানে নিজের বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হন বাইরন। ঘটনায় তাঁর স্ত্রীও আহত হন। প্রথমে ধুলিয়ানে বাইরনের নিজের নার্সিংহোমেই তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে বার্ন ইউনিট না থাকায় রবিবার সকালে আইসিইউ অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দিল্লিতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার।
বাইরনের দাদা মিল্টন বিশ্বাস জানিয়েছেন, বিধায়কের শরীরের একাধিক জায়গায় পোড়ার ক্ষত রয়েছে। তাঁর ডায়াবেটিসও রয়েছে। তাই কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়ে সর্বোচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে দিল্লির কোন হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে, তা পরিবারের তরফে জানানো হয়নি।
এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হলেও পরিবারের দাবি, ঘটনার সময় বাইরনের রক্তে শর্করার মাত্রা কমে গিয়েছিল। তিনি ঘরে শুয়ে ছিলেন। পরিবারের প্রাথমিক অনুমান, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রে শর্টসার্কিট থেকেই আগুন লাগতে পারে। যদিও আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত করেনি পুলিশ বা দমকল।
২০২৩ সালে সাগরদিঘি বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন বাইরন বিশ্বাস। পরে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন এবং ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রতীকে জয়ী হন। পরবর্তী সময়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি।
এই মুহূর্তে অবশ্য রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে বাইরনের দ্রুত সুস্থতাই কামনা করছেন তাঁর পরিবার, অনুগামী এবং শুভানুধ্যায়ীরা।







