পুজোর আনন্দে আর বাধা হয়ে দাঁড়াবে না বৃষ্টি! সপ্তমী পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পর মহাঅষ্টমী থেকে আবহাওয়ার বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় আকাশ থাকবে মূলত পরিষ্কার। ফলে অষ্টমী, নবমী ও দশমীতে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে প্রতিমা দর্শনের ক্ষেত্রে বৃষ্টির আশঙ্কা অনেকটাই কম। পুজোর বাকি দিনগুলিতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় স্বস্তিতে পুজোপ্রেমীরা।
**কলকাতায় কেমন থাকবে আবহাওয়া?**
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। সকালের দিকে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের দেখা মিলতে পারে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বাতাসে আর্দ্রতার কারণে দিনের বেলায় কিছুটা গরম অনুভূত হতে পারে। তবে সন্ধ্যার পর আবহাওয়া তুলনামূলক মনোরম থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
**দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটা?**
সপ্তমী পর্যন্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের মতো উপকূলবর্তী জেলায় কোথাও কোথাও বৃষ্টি হয়েছে। তবে মহাঅষ্টমী থেকে এই জেলাগুলিতেও বৃষ্টির দাপট কমার পূর্বাভাস রয়েছে। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানেও আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা।
ভারী বৃষ্টির কোনও সতর্কতা না থাকায় দক্ষিণবঙ্গের পুজো উদ্যোক্তা ও দর্শনার্থীদের জন্য এটি স্বস্তির খবর। তবে স্থানীয়ভাবে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।
**উত্তরবঙ্গেও কি মিলবে স্বস্তি?**
উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলাগুলিতে গত কয়েক দিনে বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টির খবর মিলেছে। তবে মহাঅষ্টমী থেকে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মালদা, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
সব মিলিয়ে, মহাঅষ্টমী থেকে দশমী পর্যন্ত পুজো পরিক্রমার জন্য আবহাওয়া অনেকটাই অনুকূল থাকার আশা। দিনের বেলায় গরমের অস্বস্তি থাকলেও বৃষ্টির বাধা কম থাকায় ঠাকুর দেখার পরিকল্পনা সহজ হতে পারে। তবে বেরোনোর আগে স্থানীয় আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাস দেখে নেওয়াই ভালো।







