নিজস্ব সংবাদদাতা : উল্লেখ্য গত বুধবার একটি বিমান দুর্ঘটনায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একসময়ের ছায়াসঙ্গী রাশিয়ার ভাড়াটে সৈন্য বাহিনীর প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছিল রাশিয়া। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সদ্য ‘মৃত’ বিদ্রোহী প্রিগোজিনের একটি ভিডিও। যেখানে নিজের সুস্থ থাকার বার্তা দিচ্ছেন খোদ ওয়াগনার প্রধান। ক্লিপটিতে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘যাঁরা আলোচনা করছেন, আমি জীবিত না মৃত, কেমন আছি, কী করছি? তাঁদের বলে রাখি, আমি ভাল আছি। এটা আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহ।এই মুহুর্তে আমি আফ্রিকায় রয়েছি।’ ভিডিওবার্তায় সুস্থ ও নিরাপদ রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন প্রিগোজিন।
২৩ আগস্ট বিমান দুর্ঘটনায় প্রিগোজিনের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, মস্কো থেকে সেন্ট পিটার্সবার্গগামী এক বেসরকারি সংস্থার বিমান তেভর এলাকার কুজেনকিনো গ্রামের কাছে ভেঙে পড়ে। ওই বিমানে পাইলট, ক্রু, যাত্রী-সহ মোট ১০ জন ছিলেন। মৃতদের তালিকায় প্রিগোজিনও(Yevgeny Prigozhin) ছিলেন বলেই অনেকের ধারণা ছিল। দুর্ঘটনার চারদিন পরে রাশিয়ার তদন্তকারী কমিটি সরকারিভাবে প্রিগোজিনের মৃত্যুর খবর স্বীকার করে।
প্রসঙ্গত, গত জুন মাসে রুশ সামরিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে গোটা বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন প্রিগোজিন। পরে অবশ্য জানা যায়, লড়াই থামিয়ে বেলারুশে ঘাঁটি গেড়েছেন ওয়াগনার প্রধান। এটাও শোনা যায় যে পুতিনের সঙ্গে নাকি তাঁর বোঝাপড়াও হয়ে গিয়েছে । কিন্তু ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণার ঠিক দু’মাস পরেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।এই ঘটনায় প্রিগোজিনের মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই অনেকে দাবি করেন নিজের পথের কাঁটা সরিয়ে ফেলেছেন পুতিন। রুশ সরকারের মদতেই হয়েছে এই বিমান দুর্ঘটনা বলে অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক মহল। যদিও এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন রুশ সরকার।







