নিজস্ব সংবাদদাতা : আমাদের শরীরে অনেক ক্ষেত্রেই ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অনেকটা কমে যায়। কিন্তু সেই বিষয়টা আমরা বেশিরভাগ মানুষই বুঝতে পারি না। বিয়ের জন্য ক্যালসিয়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি খনিজ পদার্থ। তবে শরীরে যদি ক্যালসিয়াম সঠিক পরিমাণে না থাকে তার জন্য শরীরে নানান রকম রোগ বাসা হতে পারে। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি বা হাইপোক্যালসেমিয়া এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তির শরীরে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা অত্যধিক কম থাকে।
ক্যালসিয়ামের ঘাটতি কেন হয়?
বেশ কিছু কারণ এর জন্য শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হতে পারে। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় দীর্ঘদিন ধরে ক্যালসিয়াম না খেলে শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা অনেকটাই কমে যায়। এছাড়া বয়স ও জিনের কারণেও ক্যালসিয়ামের অভাব হতে পারে। শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব সহজেই বোঝা যায়। চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে এই সমস্যার সমাধান ঘটে।
ক্যালসিয়ামের ঘাটতির লক্ষণগুলো হলো-
চরম ক্লান্তি ও দুর্বলতা : বিভিন্ন রোগের মূল লক্ষণ হলো ক্লান্ত। শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা যথেষ্ট পরিমাণ না থাকলে তখন অত্যাধিক ক্লান্তি দুর্বলতা এবং অলসতা হতে পারে। পাশাপাশি মাথাব্যথা এবং মাথা ঘুরানোর মতো বিষয় লক্ষ্য করা যায়।
ঘন ঘন পেশিতে ক্র্যাম্প : শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দিলে হঠাৎ পেশীতে খিচুনী অনুভব হতে পারে। পেশির খিঁচুনি ক্যালসিয়ামের অভাবের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
অস্টিওপেনিয়া ও অস্টিওপরোসিস :ক্যালসিয়ামের নিম্ন স্তরের অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগও হতে পারে, যাকে ভঙ্গুর হাড়ও বলা হয়। অস্টিওপেনিয়া একটি হাড়ের অবস্থা, যা অস্টিওপোরোসিসের একটি হালকা রূপ। উভয় অবস্থাতেই হাড়ের খনিজ ঘনত্ব কমতে থাকে। যা হাড়কে দুর্বল করে দেয়।
ত্বকের সমস্যা ও ভঙ্গুর নখ : ক্যালসিয়ামের অভাবে ত্বকে নানা রকম সমস্যা দেখা যেতে পারে। ত্বক শুষ্ক ও নিস্তেজ হয়ে যায় ।এমনকি ত্বকে চুলকানির সৃষ্টি হতে পারে।
অন্যদিকে ক্যালসিয়ামের অভাবে নখ দুর্বল, পাতলা, ভঙ্গুর হয়ে যায়। হাইপোক্যালসেমিয়া কখনো কখনো সোরিয়াসিস ও একজিমার ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।







