মান্দারমনিতে অর্ধনগ্ন অবস্থায় যুবতীর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রেমিক ও তার বন্ধুকে গ্রেফতার করল মন্দারমনি উপকূল থানার পুলিশ। বাকি এক অভিযুক্তর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত বন্ধু রামনগরের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তদন্তের কারণে অভিযুক্তের নাম প্রকাশ করতে রাজি হয়নি মান্দারমনি উপকূল থানার পুলিশ। অভিযুক্তরা হল প্রেমিক দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার রাহারা থানার পলুলিয়া বাসিন্দা প্রলয় দাস (৩১) ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা দমদম বাসিন্দা মনোজ কুমার গোস্বামী (৩২)। অভিযুক্তদের কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। মান্দারমনি পুলিশের পক্ষ থেকে ১৪ দিনের নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আপিল করেছে।
গত ১১ ই সেপ্টেম্বর মান্দারমনি চাঁদপুর পাথরের উপর থেকে এক অর্ধনগ্ন যুবতীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মান্দারমনি উপকূল থানার পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। পরে পরিচয় উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত যুবতি লাবনী দাস (২৪)। তার বাড়ি নদিয়া জেলা তাহেরপুর এলাকার বাসিন্দা। পরিচয় উদ্ধার কর তদন্ত শুরু করে মান্দারমনি উপকূল থানার পুলিশ। তারপরে উঠে আছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
নদিয়া তাহেরপুরে ওই যুবতী লাবনী দাসের সঙ্গে জামাইবাবুর ভাই প্রলয় দাসের আট বছর ধরে প্রেম সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এদিকে আবারও পলয় দাস অন্য একটি প্রেম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি যুবতী জানতে পারে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্তু খুশি করবে কাকে, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে থাকে প্রলয় দাস? এদিকে রামনগরের বাসিন্দা তাপস জানা কলকাতার ক্যাপ চালাতো। তিন জন মিলে যুবতীকে খুনের পরিকল্পনা করে। এরপর ওই যুবতী প্রেমিককে খুন করার পর চাঁদপুরের বিচে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।
পুলিশ একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে? অভিযুক্ত আরও তাপস জানা খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। ওই যুবতীকে কোথায় খুন করা হলো? মান্দারমনি লাগুয়া কোন হোটেলে যুবতীকে খুন করা হয়েছে? নাকি কলকাতায় খুন করে দেহ প্রমান লোপাটে জন্য এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল? সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ২ অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে মান্দারমনি উপকূল থানার পুলিশ।
যদিও পুলিশ আধিকারিকের কথায় ” অভিযুক্তদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে “।







