ত্বকেরই একরকম সমস্যা হল আঁচিল। একরকম ভাইরাসের আক্রমণে আঁচিল হয়। ত্বকের কোশে মেলানিনের সমস্যা হলে মেলানোসাইট নামের একটি উপাদান তৈরি হয়। যা সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এসে বাদামি হয়ে যায়। সেই সঙ্গে ত্বকে জ্বালাভাব থাকে। দাগ, ছোপ এসবও পড়ে। ত্বকের সর্বত্র আঁচিল ছড়িয়ে পড়ে এমন নয়। গলায়, আঙুলের ভাঁজে, চোখের পাতায় কিংবা শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় আঁচিল হয়। তবে আঁচিলের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই ওষুধ খান। এর পাশাপাশি আঁচিল কমাতে ভরসা রাখতে পারেন ঘরোয়া কিছু টোটকায়।
১. অ্যালোভেরার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বার করে আস্তে আস্তে মুখে লাগান। ভালো করে লাগানো হলে দুঘন্টা রাখুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। তবে এই জেল লাগিয়ে কিন্তু জোরে ঘোষবেন না।
২. পেঁয়াজের রসে আছে অ্যান্টিসেপ্টিকগুণ, যা বিভিন্ন ব্যাক্টেরিয়া মেরে ফেলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। পেঁয়াজের রসে রয়েছে আঁচিল কমানোর ক্ষমতাও। পেঁয়াজের রস তুলো ভিজিয়ে আঁচিলের উপর লাগান। উপকার পাবেন।
৩. ত্বকের ট্যান ওঠানো থেকে দাগ তোলা রসুন খুবই কার্যকরী। রসুন থেঁতো করে নিয়ে আঁচিলে লাগান। এবার শুকিয়ে গেলে ঘষে তুলে দিন। যদি আজ রাতে লাগান, তাহলে পরদিন সকালে মুখ ধোবেন। সবথেকে ভালো হয় যদি সারারাত রসুনের পেস্ট মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এতে দাগ ছোপও উঠে যাবে। মুখ সুন্দর লাগবে। আঁচিলের জন্য খুব ভালো ওষুধ।
৪. একটা কাঁচা ডিম ভেঙে কুসুম ও ডিমের সাদা অংশ একসঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে ব্রাশের সাহায্যে আঁচিলের উপর পর পর দু’সপ্তাহ দু’দিন করে লাগিয়ে রাখুন। তার পর মিশ্রণটি শুকিয়ে এলে সাবান ও ঠান্ডা জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন।
৫. তুলোয় করে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার নিয়ে আঁচিলে লাগান। দিনে দুবার লাগান। ভিনিগার লাগিয়ে মিনিট ১৫ রাখুন। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে নিন। টানা একমাস করতে পারলে আঁচিল ঝরে পড়বে। তবে এই ভিনিগার যেন চোখে ঢুকে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখুন।
৬. ক্যাস্টর অয়েল এবং বেকিং পাউডারের একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিন। মিশ্রণটি আঁচিলের উপর ভাল করে লাগিয়ে রাখুন। সারা রাত রাখুন। বেশ কিছু দিন পর থেকে উপকার পাবেন।







