জলপাইগুড়ি, সায়ন সেন:– স্কুলে গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগের বেনিয়মে চাকরি প্রাপ্ত দের তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক তরজা শুরু জলপাইগুড়িতে।
২৩ শে ডিসেম্বর কলকাতা হাই কোর্ট রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়েছে এবং যারা চাকরি পেয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে স্কুল শিক্ষা দপ্তর কে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ জারি করে।
আর এই চাকরি প্রাপ্ত দের তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের অন্যান্য জেলার সঙ্গে জলপাইগুড়িতেও ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
অন্যান্য বেশ কিছু গ্রুপ ডি পদে চাকুরীরতার পাশাপাশি রাজগঞ্জ ব্লকের সারিয়াম যশোধর উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত জলপাইগুড়ি শহরের যুব তৃণমূলের অন্যতম নেতৃত্ব অজয় শাহের স্ত্রী গৃহবধূ প্রিয়াঙ্কা ঘোষ এর নাম ও তালিকায় থাকায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
এই বিষয়ে বিজেপি নেতা শ্যাম প্রসাদ জানান, শুধু মাত্র উল্লেখিত ওই যুব তৃণমূল নেতার স্ত্রীই নয়, আরো বহু তৃণমূল নেতার ঘনিষ্টরা যোগ্য দের বঞ্চিত করে চাকরি পেয়েছিলো, বর্তমানে মহামান্য হাই কোর্ট যাকে অবৈধ ঘোষণা করেছে।
অপরদিকে এই বিষয়ে সারিয়াম স্কুলে কর্মরতা স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা ঘোষের স্বামী তথা জলপাইগুড়ি জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক অজয় সা বলেন, আমার সঙ্গে বিয়ের আগেই চাকরি পেয়েছিলো আমার বর্তমান স্ত্রী, তার পরেও কিছু মানুষ এই নিয়ে আমাকে জড়িয়ে তৃণমূল কংগ্রেস দল এবং জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের বদনাম করার চেষ্টা করছে, এটা দুর্ভাগ্যজনক।
বাইট, অজয় সা, তৃণমূল যুব সাধারণ সম্পাদক।







