অফবিট

অপার মহিমা জীবন্ত কালীর। রইল জীবন্ত কালীর সৃষ্টির ইতিহাস

বাংলার কালীপুজো যেন এক রহস্যের ভান্ডার। ছোট-বড়, নামী-অনামী, বিভিন্ন কালী পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে একাধিক কাহিনী। শতাব্দী প্রাচীন এই ধরনের পুজোগুলির সঙ্গে যুক্ত নানান প্রেক্ষাপট। পুজো শুরু হওয়ার গল্প শুনতে গেলে, পৌঁছে যেতে হবে ইতিহাসে। তবে দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও, সেই সমস্ত কালীপুজো মর্যাদা এখনও সমানভাবে অক্ষুন্ন। তেমনই এক কালীপুজোর উদাহরণ দুর্গাপুরের আমরাইয়ের কালীপুজো। ৩০০ বছরেরও বেশি পুরনো এই কালীপুজো। পরিবারের এক মেয়ে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই পুজোর। সেই মেয়ের নামেই আজও পুজো হয় দেবী কালীর। এর পিছনে অবশ্যই কারণ আছে। সেই কারণ হল ভক্তদের প্রত্যক্ষ উপলব্ধি। তেমনই এক প্রত্যক্ষ উদাহরণ হল, এই মন্দিরে এক চোর চুরি করেছিল। কিন্তু, প্রণামীর অর্থ সে আর নিয়ে যেতে পারেনি। পথেই আচমকা সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। চোর হলেও সে বুদ্ধি হারায়নি। মন্দিরে ফিরে এসে দেবী কল্যাণী কালীকে প্রণামীর অর্থ ফিরিয়ে দেয়। ক্ষমতা চেয়ে নেয় দেবীর কাছে। অলৌকিক-কাণ্ডের মতই, এরপরই মুহূর্তে সেরে যায় ওই চোরের জ্বর। সে নিশ্চিন্তে ফিরে যায়।

এত গেল একটা ঘটনা। এরকম অজস্র কাহিনি রয়েছে দেবী জীবন্ত কালীকে ঘিরে। তার মধ্যে অন্যতম কাহিনি হল, এক মহিলা কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত। সেই সময় তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা দেবীর কাছে ওই মহিলার জীবনভিক্ষা করে। সেই আবেদন যেন কান পেতে শুনেছিলেন দেবী। আচমকা দেখা যায়, সেরে গিয়েছেন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ওই মহিলা। শুধু সেরে যাওয়াই নয়। পরবর্তীতে তিনি আরও ২০ বছর জীবিত ছিলেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.