উত্তর প্রদেশের আমরোহার প্রকাশ্যে এল হাড়হিম করা ঘটনা। মহিলাকে নগ্ন অবস্থায় ছুটতে দেখা গেল রাস্তায়। এ ঘটনায় হতবাক স্থানীয়রা। ওই মহিলাকে কাপড় দিয়ে লজ্জার হাত থেকে বাঁচাল স্থানীয়রা। এর পিছনে কে বা কারা জড়িত তা নিয়ে গ্রেফতারে তল্লাশি শুরু করেছে উত্তর প্রদেশে পুলিশ। জানা গিয়েছে গ্রামে বন্ধুর বিয়েতে গিয়েছিলেন ওই মহিলা। বাড়ি ফেরার পথেই ঘটে ঘটনাটি।
মণিপুরের পর এবার উত্তরপ্রদেশের আমরোহার হাড়হিম করা ঘটনা এল প্রকাশ্যে। ধর্ষণের পর এক মহিলাকে নগ্ন অবস্থায় রাস্তায় ছুটতে দেখে হতবাক হয়ে যায় কয়েকজন। পরে তাদের সাহায্যে লজ্জার হাত থেকে রক্ষা পান ওই মহিলা।
এই সময় রোহিত নামে এক ব্যক্তি গাড়ি করে এসে মহিলার সামনে দাঁড়ায়। গাড়িতে রোহিতের বন্ধু কৃষ্ণও ছিল। তারা মহিলাকে গাড়িতে করে বাড়িতে নামিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। রোহিত ও কৃষ্ণের প্রস্তাবে রাজিও হয়ে যান ভুক্তভোগী। গাড়িতে ওঠে। এরপর শাহবাজপুরের মান্ধাইয়া গ্রামের কাছে গাড়ি থামায় রোহিত।
এরপর রোহিতের বন্ধু কৃষ্ণ মহিলাকে জোর করে গাড়ি থেকে নামিয়ে একটি ভাঙা এবং নির্জন বাড়িতে টেনে নিয়ে যায়। তারপর ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এই সময় মহিলা কৃষ্ণের খপ্পর থেকে নিজেরে মুক্ত করে বাঁচার তাগিদে নগ্ন অবস্থায় দৌঁড়াতে থাকেন।
এই সময় কয়েকজন বাসিন্দা মহিলাকে দেখতে পান। তারাই একটি কাপড় দিয়ে মহিলাকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচিয়েছেন। গ্রামের মানুষ স্থানীয় থানায় খবর দিলে, পুলিশ মহিলাকে উদ্ধার করে এবং বাড়িতে পৌঁছে দেয়। মহিলার ভাইয়ের দায়ের করা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে রোহিত ও কৃষ্ণের খোঁজে শুরু করেছে তল্লাশি।
এর আগে গত জুন মাসে আমরোহাতে মুদি দোকানের একজন কর্মী এক কিশোরীকে ১০০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি নিয়ে গিয়েছিল। এরপর ১১ বছর বয়সী কিশোরীকে ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগী গুরুতর জখম হয়ে বাড়ি ফিরে আসলে, পুরো ঘটনাটি জানাজানি হয়। গত সেপ্টেম্বর মাসেই আমরোহার তিন বাসিন্দা একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করেছিল। ধর্ষণের ভিডিয়ো তুলে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার হুমকি দিয়েছিল অভিযুক্তরা। এবার ধর্ষণের পর প্রাণ বাঁচাতে নগ্ন অবস্থায় রাস্তায় দৌঁড়াতে দেখা গেল এক মহিলাকে।







