ভারতীয় রেলের নতুন প্রকল্প অমৃত ভারত প্রকল্প। জানা যায় এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন স্টেশন কে একাধারে যেমন করা হবে আধুনিকিকরন, পাশাপাশি নজরও দেওয়া হবে যাত্রী দের নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য সহ একাধিক বিষয়েও। যাকে বিজেপি,রেলের এক যুগান্তকারী প্রকল্প বলেও দাবী করে আসছে। আর এই অমৃত ভারত প্রকল্পের অধিনে জায়গা পেয়েছে নদীয়ার, নবদ্বীপ ধাম রেল স্টেশনও। আর গত কয়েক মাস আগে আনুষ্ঠানিক এই প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন সাংসদ জগন্নাথ সরকার ও রেলের একাধিক আধিকারিক।
এর পর বিভিন্ন সময়ে রেলের একাধিক আধিকারিক এসে একাধিক প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য সার্বভেও করেছেন। পাশাপাশি রেলের জায়গায় বসবাস কারী সাধারণ মানুষ সহ দোকানদারদের উদ্দেশ্যেও রেলের জায়গা খালি করে দেবার জন্য নোটিশ দিতেও দেখা গেছে। এমনকি গত ৩০/১১/২০২৩ তারিখের মধ্যে চূড়ান্ত ভাবে রেলের জায়গা খালি করার নোটিশও দিয়েছিলো রেলের তরফে। আর মঙ্গলবার (১২/১২/২০২৩) সকালে রেলের আধিকারিক রেলের জায়গা খালি করার উদ্যোগি হন, ও তাকে ঘিরে কার্যত ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় স্থানীয় তৃণমূলের একাধিক নেতৃত্ব ও তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্বরা। জানা যায় নবদ্বীপ রেলগেট থেকে রেলওয়ে গুমটি পর্য়ন্ত প্রায় চল্লিশ ফুটের রাস্তা সম্প্রসারন করা হবে, (যা ওয়ানওয়ে রাস্তা হবে) রেলের তরফে , সাথে করা হবে একাধিক আধুনিকিকরন প্রকল্প। আর এই কারনে মঙ্গলবার সকালে রেলওয়ের তরফে রেলের জায়গায় থাকা দোকান উচ্ছেদ শুরু করে। আর তা নিয়ে কার্যত রেল আধিকারিকদের সাথে স্থানীয় ব্যাবসায়ী তথা রেল হকারদের সাথে বচসাও সৃষ্টি হয়।
পরবর্তী সময়ে স্থানীয় তৃণমূল ও তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্বদের এক প্রতিনিধী দল রেল আধিকারিকদের সাথে আলোচনায় বসেন ও আলোচনা শেষে তারা জানায় রেল জানিয়েছে তাদের পরিকল্পনার চল্লিশ ফুটের রাস্তা করার পর যে জায়গা থাকবে সেখানে বয়াবসায়ীরা অস্থায়ী দোকান করে ব্যাবসা করতে পারবে।যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব রেলের এই আশ্বাসে পুরোপুরি ভরসা করতে পারছে না বলেও দাবী। তারা জানায় আগামী দিনে যদি রেল তাদের কথা না রাখে তাহলে আগামী তে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাটবে। কারন এই জায়গায় কমবেশি পাঁচশ মানুষের রুটি রুজি জরিয়ে আছে।







