সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মতো অবস্থা। তারপর শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ রোগ। দীর্ঘ আট মাস ধরে এক প্রকার বিনা চিকিৎসায় দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছে ইচ্ছামতীর পাড়ের মায়া। না, এটা কথা সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও গল্প নয়। বাস্তবের ইচ্ছামতী পাড়ের বাসিন্দা মায়ার অসহায়তার কাহিনী।
বসিরহাট পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বসিরহাটের শ্মশানের ঠিক পিছনে ইছামতি নদীর পাড়ে ট্রিপল টাঙিয়ে বাস করেন মায়া মণ্ডল। আট মাস আগে শরীরে মারণ রোগের বাসা বেধেছে। ব্রেন টিউমার। দুস্থ অর্থের অভাব ঘরে নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থায় চিকিৎসার খরচ আসবে কোত্থকে! তাই বেঁচে থাকার কাতর আর্জি জানিয়েছে সে। স্বামী সঞ্জয় মল্লিক বসিরহাট শ্মশানের শবদাহ সহকারী। ইছামতি নদীর পাড়ে সরকারি জায়গায় ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে কোনো রকম ভাবে বাস করেন এই মল্লিক পরিবার। স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড থাকা সত্বেও সুবিধে না পাওয়ার অভিযোগ জানিয়েছে তাঁরা। একাধিক হাসপাতালে গিয়েও মেলেনি সুরাহা। তাই সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ চেয়েছে অসহায় পরিবার।







