মহাত্মা গান্ধীজির স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে ব্যারাকপুরের গান্ধীঘাটে আজ সকাল থেকেই লোকের সমাবেশ। প্রত্যেক বছরের তো এই বছরেও প্রশাসনিক স্তরের নেতা, মন্ত্রীরা গান্ধীঘাটে পা রাখেন। তবে এই দু’দিন সবচেয়ে অধিক তাৎপর্যপূর্ণ রাজ্যপালের পক্ষে। চিরাচরিত প্রথা মেনে সাধারণত গান্ধীঘাটে গান্ধীজির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের সঙ্গে জানান রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। এই বছরও গান্ধীঘাটে এসেছিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। গান্ধীঘাট চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি দর্শকাসনে বসেন জুতো পরিহিত অবস্থাতেই। এবার তার দরুনই জড়ালেন বিতর্কে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি দক্ষিণেশ্বরে মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন সস্ত্রীক সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপালের মতে, বাংলার অন্যতম তীর্থক্ষেত্র এবং রামকৃষ্ণদেবের স্মৃতিবিজড়িত এই দক্ষিণেশ্বর মন্দির। পূর্বে দিল্লি গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সামিল হন রাজ্যপাল।
এই বছর মহাত্মা গান্ধীর ৭৬ তম মৃত্যু দিবস। বারাকপুর গান্ধীঘাটে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস আসেন ‘জাতির জনকের’ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে। রাজ্যপাল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী তথা নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক, ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী ও পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ। আচমকাই রাজ্যপাল মঞ্চে জুতো পড়ে উঠে যান, তবে মাল্যদানের সময় জুতো খুলেই তিনি মালা পড়ান স্মৃতিসৌধে।







