আজ ছিল ফাইনাল রাজ্য সিনিয়র বাস্কেটবলের । পুণম চতুর্বেদী মহিলাদের বিভাগে পূর্ব রেলের হয়ে খেললেন । তাঁকে নিয়েই ছিল সকলের আগ্রহ।
দেশের সবচেয়ে লম্বা মহিলা বাস্কেটবল প্লেয়ার হলেন পুণম। রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানালেন “এমন প্লেয়ার আর কয়েকজন থাকলে ভারত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে।”
জানা যাচ্ছে, পুণমের বাবা উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কনস্টেবল, মা গৃহবধূ। পুণমের ভাইও ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতাবিশিষ্ট। পুণমের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বেশ কিছু রিলস জনপ্রিয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর অনুরাগীও রয়েছেন। পুণমের দাবি, তিনিই দেশের সবচেয়ে বেশি উচ্চতার বাস্কেটবল প্লেয়ার।
জানা যাচ্ছে, পুণমের বাবা উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কনস্টেবল, মা গৃহবধূ। পুণমের ভাইও ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতাবিশিষ্ট। পুণমের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বেশ কিছু জনপ্রিয় রিলস আছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর অনেক অনুরাগীও রয়েছেন। তিনিই দেশের সবচেয়ে বেশি উচ্চতার বাস্কেটবল প্লেয়ার পুণমের দাবি।
তাঁর এই উচ্চতার জন্য অবশ্য বাড়ি তো বটেই এবং অন্যান্য জায়গাতেও দরজা দিয়ে প্রবেশ, প্রস্থান করতে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় । বসার জায়গা থেকে জামাকাপড়, নানা ক্ষেত্রেই তাঁর জন্য বিশেষ বন্দোবস্ত করতে হয়। ক্লাসে টেনে পড়ার সময়ই পুণমের উচ্চতা ৬ ফুট ছাড়িয়েছিল। সেটাই এখন বেড়ে ৭ ফুট ৩ ইঞ্চি হয়েছে ।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, পুণমের বাবার এক বন্ধু তাঁকে পরামর্শ দিয়েছিলেন খেলাধুলোয় কেরিয়ার এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কানপুরের গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামে বাস্কেটবলে তাঁকে ভর্তি করে দেওয়া হয়। পুণম রাজ্য দলের হয়ে ২ বছর খেলেছেন ।
২০১০ সালে ছত্তিশগড়ের রাজনন্দগাঁওয়ে ইউথ ন্যাশনালস খেলতে যান। সেখানে থেকে ছত্তিশগড়ের হয়ে খেলার জন্য তিনি প্রস্তাব পান । তাঁকে সেই প্রস্তাবটি দিয়েছিলেন বাস্কেটবলে ভারতের কিংবদন্তি কোচ রাজেশ প্যাটেল। যিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ২০১৮ সালে প্রয়াত হন। তবে তাঁর বড় অবদান ছিল পুণমের কেরিয়ার তৈরির জন্য ।
অনেক দেশেই এমন দীর্ঘদেহী মহিলা বাস্কেটবল প্লেয়ার নেই। ফলে বিদেশের লিগে খেলার প্রস্তাব আসতো। কিন্তু পুণম নিরামিষাশী। সে কারণেই বাইরে খেলার প্রস্তাব নাকচ করেন। পুণম পূর্ব রেলে চাকরি পান ২০১৯ সালে । হাওড়া স্টেশনে সিনিয়র ক্লার্ক হিসেবে যোগ দেন।
এর আগে ২০১৪ সাল থেকে ব্রেন টিউমারে কষ্ট পেতে দেখা যায় পুণমকে। সেই কারণে কিছুটা প্রভাব তাঁর কেরিয়ারেও পড়ে। অনুশীলন করানোর সময় কোচেরা সতর্ক থাকতেন । তবে এখন তিনি পুরোপুরি সুস্থ। আজ বাস্কেটবল তাঁবুতে রাজ্য সিনিয়র বাস্কেটবলের ফাঁকে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুললেন অনেকেই।
অরূপ বিশ্বাস থেকে শুরু করে রাজ্য অলিম্পিক সংস্থার সভাপতি স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় পুণমের উচ্চতা দেখে অবাক। বাস্কেটবল ঘিরে শহরে আগ্রহ দেখেও খুশি তাঁরা। অরূপ বিশ্বাস বললেন, ৩৪ বছরে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে এই রাজ্য অনেক কিছুতেই পিছিয়ে গিয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব খেলাধুলোকে সমান গুরুত্ব দেন। ফলে বাস্কেটবলও এগিয়ে চলেছে, আমরা উন্নতি করছি। ক্রীড়ামন্ত্রীর বক্তব্য রাখেন স্পোর্টস মেডিসিনে গুরুত্ব আরোপ করার কথাও উঠে এসেছে রাজ্যে।







