সাহারা মিলল না কেজরিওয়ালের। আগামী ২৮ তারিখ পর্যন্ত ইডির হেফাজতে থাকবেন মন্ত্রী।যদিও আদালতে ইডির প্রবল সমালোচনায় সরব হন কেজরিওয়ালের আইনজীবী। বললেন ‘মুখোশ খুলে ইডি বলুক’কার হয়ে কাজ করছে তারা?’ শুক্রবার আদালতে দাঁড়িয়ে এভাবেই ইডির সমালোচনা করলেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আইনজীবী বিক্রম চৌধুরী।
প্রশ্ন তুললেন, দিল্লির আবগারি নীতির ক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধে যদি সত্যিই ইডির কাছে কোনও প্রমাণ থাকে, তাহলে এতদিন কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি? কেন ভোটের ঠিক আগেই? যদিও ইডির পাল্টা দাবি, দিল্লির আবগারি নীতির ‘কিংপিন’ই হলেন কেজরিওয়াল। তাই তাঁকে ১০ দিন নিজেদের হেফাজতে রেখে তদন্ত করতে চান ইডি। যদিও দীর্ঘ প্রশ্ন- উত্তরের শেষে রাউস এভিনিউয়ের বিশেষ আদালত জানিয়ে দেয়, ১০ দিন নয়। সাত দিন।
২০২৩ সাল থেকে ন’বার সমন পাঠানোর পরেও ইডির ডাকে সাড়া দেননি কেজরিওয়াল। তাই বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট কেজরিওয়ালের এই সমন সংক্রান্ত আবেদন খারিজ করতেই রাতে তাঁকে বাড়িতে গিয়ে গ্রেপ্তার করেন ইডি। রাতেই সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রিতে আবেদন করলেও সাড়া মেলেনি। তাই রাতে আব্দুল কালাম রোডে ইডির সদর দপ্তর জেল-কুঠুরিতেই রাত কাটাতে হয় কেজরিওয়ালকে।
শুক্রবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট বসতেই দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের কাছে দ্রুত শুনানির আবেদন করেন কেজরিওয়ালের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, দু নম্বর এজলাসে বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার কাছে গিয়ে বলুন। ওখানে বিশেষ বেঞ্চ বসেছে। সিংভি ছোটেন সেখানেই। কিন্তু সেখানে ততক্ষণে বিশেষ বেঞ্চ উঠে গিয়েছে। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না বলেন, তিন নম্বর এজলাসে যান। এটা ফৌজদারি মামলা। ওখানেই ‘উল্লেখ’ করুন। প্রত্যুত্তরে সিংভি জানান, প্রধান বিচারপতি আপনার কাছে বলতে বলেছেন। তখন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না বল�







