ভারতে শুরু হয়ে গিয়েছে গ্রীষ্মের মরশুম। ভারতের বিভিন্ন জায়গায় গরমের প্রভাব খুবই বেশি। এই গরম থেকে বাঁচার জন্য একমাত্র ভরসা এসি এবং এয়ার কুলার। এসির দাম একটু বেশি হওয়ায় অনেকেরই প্রথম পছন্দ এয়ার কুলার।
গ্রীষ্মকালে ঠান্ডা বাতাস পাওয়ার জন্য এয়ার কুলার ব্যবহার করা যেতে পারে। এর জন্য ভাল বায়ু চলাচল যুক্ত জায়গার প্রয়োজন, যাতে ঘরে আর্দ্রতা না থাকে। কিন্তু যদি বন্ধ ঘরে এয়ার কুলার ব্যবহার করতে হয়, তাহলে উপায় কী যাতে ঘর ঠান্ডাও হতে পারে এবং আর্দ্রতাও বৃদ্ধি না পায়?
সুবিধা:-
* এয়ার কন্ডিশনারগুলির তুলনায় অনেক কম ব্যয়বহুল।
* কোনোরকম ইনস্টলেশনের ঝামেলা নেই।
* বাড়ির মধ্যে কম জায়গা দখল করে থাকে।
* এয়ার কুলার এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সহজে সরানো যায়।
* ভাড়া দিয়ে আয়ের রাস্তা খুলতে পারেন।
এয়ার কুলার ব্যবহারের নিয়ম:
ঘরের সঠিক জায়গায় এয়ার কুলারটি ইনস্টল করেছেন কি না তা সবার আগে নিশ্চিত করুন। এটি এমন স্থানে রাখতে হবে যাতে অন্যান্য ঘরেও ঠান্ডা বাতাস পৌঁছাতে পারে।
ঘর বেশি ঠান্ডা করতে এয়ার কুলার চালু করার আগে বরফ জল যোগ করুন। এতে ঘর বেশি ঠান্ডা হবে। নিয়মিত কুলিং প্যাডগুলো পরিষ্কার করুন। কারণ এতে ধুলাবালি বেশি জমে।
সপ্তাহে অন্তত একবার প্যাড পরিষ্কার করার জন্য ব্যাশ ব্যবহার করতে পারেন। এর সঙ্গে সঙ্গে জলের ট্যাঙ্কও পরিষ্কার করতে হবে ও তাতে কোথাও ফুটো বা ছিদ্র আছে কি না তা নিশ্চিত করে দেখতে হবে।







