পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের তিনটি গ্রাম ও ভাতারের একটি গ্রামে মা ঝংকেশ্বরীর অবস্থান। মঙ্গলকোটের মুশারু, পলসোনা ও ছোট পোেসলা, এবং ভাতারের বড় পোসলা গ্রামে মায়ের দেখা মেলে সোমবার। সারাবছরই মায়ের দেখা মেলে গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে। গুরু পূর্ণিমার পরের দিন মায়ের পুজো অনুষ্ঠিত হয় এই চারটি গ্রামে। পুজোর দিন অর্থাৎ আজ মায়ের দেখা মেলে মন্দিরে। মা প্রতিবছরই মন্দিরে পুজো নিয়ে যান এ যেন এক অলৌকিক হলেও সত্য ঘটনা। মঙ্গলকোটের এই তিনটি গ্রাম ও ভাতারের একটি গ্রামে এলেই দেখতে পাবেন।সারা বছরই গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে এই ঝংকেশ্বরী মায়ের অবস্থান মানুষের সঙ্গেই।
তবে এই সাপ কামড়ালে বিষ হয়না বলে জানান গ্রামের মানুষজন এইসব কামড়িয়ে গ্রামে কখনো কেউ মারাও যায়নি দাবী গ্রামবাসীদের।সব মিলিয়ে চিরাচরিত প্রথা মেনে পালিত হলো মা ঝংকেশ্বরীর পূজা।
বেহুলার স্বামী লক্ষিন্দরকে যে সাপে কেটেছিল সেই কালনাগিনী এখানে মা ঝাঁকলাই নামে পরিচিত।এই পুজোকে ঘিরে এলাকার মানুষের উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো ।







