কয়লা চুরি থেকে শুরু করে আর্থিক তছরুপ সহ একাধিক মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। বারংবার ইডি ও সিরিয়াল দপ্তর থেকে তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলক করা হয়েছে। তবে এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপ মামলায় সমন জারি করেছে। এবার সেই সমনকে কার্যত চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রতি নির্বাচন এলেই কেন্দ্রীয় তদন্তকার সংস্থার পক্ষ থেকে ডাক পড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এমনকি কলকাতায় এই সংস্থাগুলির অফিস থাকলেও বারংবার তাকে দিল্লির অফিসে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা। যা নিয়ে প্রতিনিয়ত শোরগোল চলছে রাজ্য রাজনীতিতে। এবার আর্থিক তছরুপ মামলায় ইডি নাম জড়িয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই কারণে ইডি তার নামে সমন জারি করেছে।
তবে সেই সমন মানতে নারাজ তৃণমূল সাংসদ। তাই জন্য এবার সেই সমন চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। অভিষেকের হয়ে মামলা লড়ছেন কপিল সিব্বাল। আর্থিক তছরুপ মামলায় পি এম এল এতে অভিযুক্তকে তলব করার কোনো নির্ধারিত পদ্ধতি নেই বলে প্রশ্ন তোলেন অভিষেকের আইনজীবী। তার সওয়ালে স্পষ্ট উঠে আসে অভিযুক্তকে তলব করার জন্য আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি পদ্ধতি থাকার বিষয়। এছাড়াও কিন্তু জানতে চান কলকাতায় ইডি-র পূর্বাঞ্চলীয় অফিস থাকা সত্ত্বেও কেন অভিষেককে দিল্লিতে তলব করা হচ্ছে।
এপ্রসঙ্গে আইনজীবী কপিল সিব্বাল জানিয়েছেন, ‘পিএমএলএ-তে কোনও পদ্ধতি নেই। এই পদ্ধতির অভাব একটা পদ্ধতিতে পরিণত হয়েছে। কোনও পিএমএলএ-তে সাক্ষী বা অভিযুক্তকে তলব করার কোনও পদ্ধতি নেই। সরকারকে দেখাতে হবে যে এমন একটি পদ্ধতি রয়েছে যা তারা অনুসরণ করছে। সরকারকে প্রমাণ করতে হবে সেই পদ্ধতি আইনসিদ্ধ ও যুক্তিসম্মত।’







