সময় যত যাচ্ছে ততই জল ঘোলা হচ্ছে, বাড়ছে রহস্য। সূত্রে খবর, হাসপাতালের সরাসরিভাবে যুক্ত না হলেও আরজি করের আনাচে-কানাচে ছিল তাঁর অবাধ যাতায়াত। তাঁর প্রসঙ্গ উঠতেই আমতা আমতা করছেন কর্মরত নিরাপত্তারক্ষীরা। তাঁকে চেনেন কিনা প্রশ্ন উঠতেই পড়ছেন অস্বস্তিতে।
তবে কী তাঁর মাথায় হাত রয়েছে কোনও রাঘব-বোয়ালের? নাকি তলে তলে ঘোঁট পাকাচ্ছে রাজনীতি? প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে। প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকালে হাসপাতালে সেমিনার রুম থেকে ওই ছাত্রীর অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে খুন-ধর্ষণের ইঙ্গিত মিলেছে। রাজনৈতিক মহলেও বাড়ছে চাপানউতোর। এদিকে এদিন বিকাল ৪টে নাগাদ আরজিকর কাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে মোমবাতি মিছিলে সামিল হতে হয়েছিলেন মহিলা চিকিৎসকেরা। শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড় থেকে শুরু করে আরজিকর পর্যন্ত এই মিছিল হয়েছে।







