আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের হত্যার ঘটনায় এবার হস্তক্ষেপ করল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রথমেই আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে কড়া নির্দেশ দিল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। সোমবার তাঁর পদত্যাগ এবং কয়েক ঘণ্টা পরেই অন্য জায়গায় নিয়োগ গোটা বিষয়টি নজরে রেখেছে আদালত। মঙ্গলবার আরজি করের ঘটনার কেস ডায়েরি তলব করা হয়েছে আদালতের তরফে। পাশাপাশি, প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম সন্দীপ ঘোষের নিয়োগর বিষয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন।
রীতিমতো সময়ও বেঁধে দিলেন তিনি।
দুপুর ১টার মধ্যে হাইকোর্টে আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় কেস ডায়েরি জমা দেওয়ার নির্দেশ রজু করা হয়েছে। রাজ্য প্রধান বিচারপতি শুনানিতে জানায়, সমাজমাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সরকার সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে।
ইতিমধ্যে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জনস্বার্থ মামলার আইনজীবী ফিরোজ ইদুলজী হাইকোর্টে কামদুনি কান্ডের প্রসঙ্গ টেনে বিনীত গোয়েলকে সরানোর দাবি করেন। তিনি বলেন, “কামদুনি মামলা যেভাবে সাজানো হয়েছিল। একই কায়দায় এই কেস সাজানোর চেষ্টা চলছে। বিনীত গোয়েল কামদুনির সময় ছিলেন আইজি সিআইডি। কামদুনির সময় নির্যাতিতার স্ট্রেচ মার্ক যেভাবে দেখানো হয়, একই কায়দায় আর. জি. কর. কেস সাজাচ্ছে বিনীত গোয়েল।”
হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, দুপুর ১টায় আরজি করের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের পদত্যাগ পত্র এবং তার নতুন নিয়োগপত্র এছাড়া আরজি করের ঘটনার কেস ডায়েরি নিয়ে আসতে হবে। সরকারি আইনজীবীকে নির্দেশ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের। দুপুর ১টায় ফের শুনানি হবে এই মামলার। এর পাশাপাশি কামদুনি মামলার প্রসঙ্গ তুলে জনস্বার্থ মামলার আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি আশঙ্কা প্রকাশ করেন এই মামলায় কামদুনির মতোই অপরাধীরা ছাড়া পেতে পারেন। সেই সঙ্গে তিনি দেহ দ্রুত সৎকার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
অন্যদিকে, সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, সিবিআই তদন্ত দ্রুত শুরু করতে প্রস্তুত, কোর্ট নির্দেশ দিলেই তদন্তভার নেবে সিবিআই। সব পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, “আপনারা আদালতকে আশ্বস্ত করতে পারবেন যে কোন তথ্য প্রমাণ নষ্ট হবে না? তদন্ত স্বচ্ছ ভাবে হবে?”







