জুনিয়র ডাক্তারদের লাগাতার কর্মবিরতির ফলে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে, বহু রোগী সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছে না, এমনই অভিযোগ উঠছে বারবার। এবার এরইমধ্যে অন্য ছবি! স্বাস্থ্য ভবনের সামনে চলতে থাকা অবস্থান বিক্ষোভের মধ্যেই এক পুলিশকর্মীকে চিকিৎসা পরিষেবা দিলেন আন্দোলনরত ডাক্তাররা।
উল্লেখ্য, ডাঃ বিপ্রেশ চক্রবর্তীর একটি লেখা ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, গতকাল রাত সাড়ে বারোটায় স্বাস্থ্যভবনে বিক্ষোভস্থলে বিধাননগর পুলিশের একজন মহিলা পুলিশকর্মীর হাঁপানি চরম আকারে বৃদ্ধি পায় এবং মারাত্মকভাবে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে যায়। আন্দোলনরত ডাক্তাররা সঙ্গেসঙ্গে তাঁর পাশে উপস্থিত হন, তাঁর পরীক্ষা করান এবং তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন।
পুলিশকর্মীর কাছে কোনও ইনহেলার ছিল না। চিকিৎসকরাই তাঁর জন্য ইনহেলারের ব্যবস্থা করেন৷ ধীরে ধীরে তিনি একটু সুস্থ বোধ করতে শুরু করেন। অ্যাম্বুলেন্সেরও ব্যবস্থা করা হয়। তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুর প্রায় সাড়ে ৩টে থেকে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অবস্থানে লিপ্ত জুনিয়র ডাক্তাররা। মঙ্গলবার নবান্ন থেকে আলোচনায় আহ্বান জানিয়ে মেইল পাঠানো হয়েছিল তাঁদের। কিন্তু, সেই ই-মেইলের ভাষা ‘অপমানকর’ দাবি করেছিলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। তাঁরা যাননি আলোচনায়। বুধবার তাঁরা জানিয়ে দেন, ভোর রাতে তাঁরা পাল্টা ই-মেল করেছিলেন নিজেদের দাবিদাওয়া প্রসঙ্গে। এরপরই নবান্ন থেকে সন্ধ্যা ৬টার সময় আলোচনার জন্য ডাকা হয়। সুপ্রিমকোর্ট মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল, সে কথাও উল্লেখ করেন মুখ্যসচিব। মেইলে বলা হয়েছে, ১২-১৫ জন যেতে পারেন নবান্নে। মঙ্গলবারের ই-মেইলে ১০ জনের প্রতিনিধিদলকে ডেকেছিল নবান্ন।







