পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের আবেদন খারিজ। ৩০ মার্চ পর্যন্ত পার্থর জেল হেফাজতের নির্দেশ। শান্তিপ্রসাদ সিনহার ২৭ মার্চ পর্যন্ত সিবিআই হেফাজত। কুন্তল-তাপস-নীলাদ্রির ৬ এপ্রিল পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, এহেন আবহেই নিয়োগ দুর্নীতিতে সুজন চক্রবর্তী, দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীদের জড়ালেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে আদালতে তোলা হয়। পার্থর অভিযোগ, সুজন চক্রবর্তী, দিলীপ ঘোষরা বড় বড় কথাই বলতে পারেন; তাঁরাই আবার চাকরি দেওয়ার জন্য তদ্বির করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার আদালতে ঢোকার পূর্বে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, ‘যে সুজন চক্রবর্তী, দিলীপবাবু, শুভেন্দুবাবুরা বড় বড় কথা বলছেন, তাঁরা নিজের দিকে দেখুন। উত্তরবঙ্গে তাঁরা কী করেছেন? ২০০৯-১০-এর সিএজি রিপোর্ট পড়ুন। সমস্ত জায়গায় তদ্বির করেছেন, কারণ, আমি তাঁদেরকে বলেছি করতে পারব না। আমি নিয়োগকর্তা নই। এ ব্যাপারে কোনও সাহায্য তো দূরের কথা আমি কোনও কাজ বেআইনি করতে পারব না। শুভেন্দু অধিকারীর ২০১১-১২ সালটা দেখুন না! দেখুন না, কী করেছিলেন তাঁরা।’ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এহেন মন্তব্যের জেরে কোনদিকে বাঁক নেবে পরিস্থিতি? ঘনাচ্ছে জল্পনা।







