কর্মসমিতির বৈঠকে দলীয় অভ্যন্তরে রদবদল হয়েছে। দলের প্রবীণ নেতাদের গুরুত্ব দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রসঙ্গে এবার ফের সরব হলেন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাঁদের ঘনিষ্ঠ বলে মনে করছেন, তাঁরা ক’জন তাঁর ভাল চান; সেই বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে বলে মন্তব্য হুমায়ুনের।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামী দিনে জেলা থেকে শুরু করে ব্লক পর্যায়ে রদবদলের সম্ভাবনা থাকছে, এমনটাই সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, একাধিক পুরসভাতে রদবদল হতে পারে। ইতিমধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি রিপোর্ট দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
হুমায়ুনের উবাচ, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, সাংসদ। তিনি স্বাভাবিক ভাবেই দিল্লির দায়িত্বে থাকবেন। যেদিন সর্বভারতীয় সম্পাদক হন, সেদিনই দলের দু’নম্বর হয়ে যান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেকেরও নেত্রী, সকলের নেত্রী তিনি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে কয়েকজন ঘিরে রয়েছেন, যে ক’জন নিজেদের পরিকল্পনার মধ্যে রেখেছেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কতটা ভাল চান, দীর্ঘমেয়াদি ভাবে পশ্চিমবঙ্গের শাসক হিসেবে দেখতে চান, তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে।’
উল্লেখ্য, উপনির্বাচনের পরবর্তীতেই গতকাল অর্থাৎ সোমবার কালীঘাটে দলের কর্মসমিতির বৈঠক করেন মমতা। সেখানে দলের অন্দরে ব্যাপক রদবদল হয়। প্রবীণ নেতাদের গুরুত্ব বাড়ান মমতা। দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটিতে রাখা হয়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁকে জাতীয় স্তরে দলের হয়ে কথা বলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এবার তার পরবর্তীতেই হুমায়ুনের এহেন মন্তব্য যথেষ্ট আলোড়ন ফেলেছে রাজনীতিতে।







