নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জে ফের উত্তেজনা। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ফেনসিডিল উদ্ধার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বিএসএফ জওয়ানরা। শুধু তাই নয়, তাদের গাড়ি ভাঙচুর করে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণগঞ্জের মথুরাপুরে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল মজুত রয়েছে, এমন খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় বিএসএফ। কিন্তু ফেনসিডিল উদ্ধার করতে গিয়ে উল্টে জওয়ানদের ওপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। তাদের মারধর করা হয় এবং তাদের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলছেন, পুলিশ যদি সক্রিয় ভূমিকা নিত, তাহলে হয়তো দুষ্কৃতীদের দ্রুত গ্রেফতার করা যেত।
এদিকে, গত মাসেই সীমান্ত থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটারের মধ্যে চারটি বাঙ্কার এবং একটি চেম্বারের সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে প্রচুর পরিমাণে ফেনসিডিল মজুত ছিল। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই ঘটনার সঙ্গে আগের ঘটনাগুলির যোগসূত্র থাকতে পারে।
প্রশ্ন উঠছে, শুধু চোরাচালানের জন্য এই বাঙ্কার ও চেম্বার তৈরি করা হয়েছে, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে? তদন্তকারীরা এখন এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন।
এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। তারা বলছেন, সীমান্তে প্রায়ই এমন ঘটনা ঘটে। এর ফলে তাদের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তারা সরকারের কাছে এর স্থায়ী সমাধান দাবি করেছেন।
এই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা খুব শীঘ্রই দোষীদের গ্রেফতার করবে।







