শুধু গরুর মাংস নয় , গোটা দেশ থেকে সম্পূর্ণ ভাবে আমিষই নিষিদ্ধ করা হোক! এমনই দাবী বলিউড অভিনেতা তথা তৃণমূল সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহার । তৃণমূল সাংসদের মন্তব্য , “উত্তর ভারতে গো-মাংস নিষিদ্ধ করেছেন উত্তর-পূর্বে নয় কেন? নিষিদ্ধ করলে সব জায়গায় করা হোক।” শত্রুঘ্ন সিনহা স্পষ্টত বলেন , “আপনি কিছু জায়গায় বিফ ব্যান করেছেন। যা ঠিক সিদ্ধান্ত। কিন্তু, বিফ কেন নন-ভেজই বন্ধ করে দেওয়ার দরকার রয়েছে। এটা আমার মনে হয়।” তাঁর কটাক্ষ , “নর্থ-ইস্টে খেলে ইয়াম্মি, আর নর্থ ইন্ডিয়াতে খেলে মাম্মি! এটা তো চলতে পারে না। বন্ধ করলে তো সব জায়গায় করতে হবে।” শত্রুঘ্ন সিনহার এই মন্তব্য ঘিরে , ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর ।
শত্রুঘ্নর এই আক্রমণে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ । তিনি বলেন , “উনি একজন বহিরাগত। সে তাঁর বিহার নিয়ে বলুক। সারা ভারতবর্ষ নিয়ে তাঁর বলার অধিকার নেই। কে কী খাবে, আর কী পরবে এটা শত্রুঘ্ন সিনহা ঠিক করবে?” শত্রুঘ্নর মন্তব্যে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যও । তিনি বলেন , “এটা ঠিক করার অধিকার কারও নেই। তৃণমূল সাংসদ হোক বা ভারতের প্রধানমন্ত্রী, কেউ এটা ঠিক করতে পারে না। মানুষের ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপের প্রবণতা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এই ঝোঁকটাকে আরএসএস লালন-পালন করছে কখনও তৃণমূলের মাধ্যমে, কখনও বিজেপির মাধ্যমে।”
উল্লেখ্য , এর আগেও বহুবার গো মাংস নিয়ে বিভিন্ন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে । এবং , তখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন , “মানুষের স্বাধীনতা বলে কিছু থাকবে না? কে কী খাবে সেটাও ঠিক করে দেবে, কে কী পরবে সেটাও ঠিক করে দেবে! সিলেবাসে যা ইচ্ছা তাই ঢোকাবে। মানুষের মাথাটা ডিস্টার্ব করার এগুলো পরিকল্পিত পরিকল্পনা।” এবারের মুখ্যমন্ত্রীর দলের সাংসদেরই আমিষ বন্ধ করার দাবিতে বেড়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর ।







