সময়সূচী মেনেই বুধবার সকাল ৭ টা থেকে দিল্লির বুকে শুরু হয়ে যায় নির্বাচনের প্রক্রিয়া। এই গণতান্ত্রিক উৎসবে অংশ নিয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়াল সহ বর্তমান দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি উপরাষ্ট্রপতি সহ বিভিন্ন শীর্ষ শ্রেণীর নেতৃত্ব থেকে শুরু করে সমস্ত দিল্লীবাসী। ঘড়ির কাঁটায় ঠিক বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে ভোটদানের প্রক্রিয়া।
সকাল থেকেই দেশের রাজধানী অর্থাৎ দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তা বলার মধ্যে শুরু হয়ে যায় ভোট দানের প্রক্রিয়া। একেবারে সকাল বেলায় ভোট দিতে দেখা যায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে। স্থানীয় একটি স্কুলে পুরো পরিবার নিয়ে ভোট দিতে যায় দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সব বর্তমানের মুখ্যমন্ত্রী অতিশি মার্লেনা। এছাড়াও নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন লোকসভার সাংসদ তথা কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী। পাশাপাশি দিল্লির নর্থ অ্যাভিনিউ সেন্টারে ভোট দিয়েছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। অন্যদিকে নির্মাণ ভবনের ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রয়োগ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না।
তবে বেলা বাড়ার পরে দিল্লির সীলমপুর, চিরাগ দিল্লি এবং জংপুরাতে বিক্ষিপ্ত অশান্তি দেখা যায়। যেখানে বিজেপি দাবি করে ভূয়ো ভোটার ঢোকানোর। অন্যদিকে আপ নেতৃত্ব দাবি করে ভোটারদের অর্থের মাধ্যমে প্রভাবিত করার। পাশাপাশি নির্বাচনের বিধিবঙ্গের অভিযোগ ওঠে আপ নেতা আমনতুল্লা খানের বিরুদ্ধে। তবে দুপক্ষই সমস্ত অভিযোগ কার্যত ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে।
তবে রাজনৈতিক মহল মনে করছে অন্যান্য বারের মতো আপের জন্য এবারের নির্বাচনে জয়লাভ করাটা খুব একটা সহজ হবে না। বিজেপি এবার আপের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে বেশ জায়গা করে নিয়েছে। এমনকি ভোটের ময়দানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে কংগ্রেস। তাই শেষ পর্যন্ত ত্রিমুখী লড়াইয়ে কোন দল এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আসনে বসতে পারে সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশ।







