বছরের শুরুতেই ওটা রাজ্য তোলপাড় হয়েছিল মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজে ভেজাল স্যালাইন রোগীদের দেওয়ার অভিযোগে। এমনকি ফলে মৃত্যু হয় রোগী বলে অভিযোগ ওঠে। তারপরেই জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। তবে এবার আদালতে রাজ্য রাজ্য সরকারের রিপোর্ট জমা পরে। ১০ দিন পর পরবর্তী শুনানি।
গত মাসের শুরুতে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে সন্তান প্রসবের পর ৫ মহিলা অসুস্থ হয়ে যায়। রোগী পরিবারের তরফে অভিযোগ ওঠে রিঙ্গার্স ল্যাকটেট স্যালাইন দেওয়ার পরেই তাঁরা শারীরিকভাবে আরও অসুস্থ হয়ে যায়। ঘটনায় মৃত্যু হয় এক প্রসূতি ও অন্য এক সদ্যজাত শিশু। এরআগে গত ১০ ডিসেম্বর ড্রাগ কন্ট্রোলার একটি নির্দিষ্ট সংস্থাকে ‘রিঙ্গার্স ল্যাকটেট’ স্যালাইন উৎপাদন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। তারপরেও এই ধরনের স্যালাইন কেন ব্যবহার হলো সেই নিয়ে উঠল প্রশ্ন। সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাসপেন্ড করে ১২ জন ডাক্তারকে।
জনস্বার্থ মামলায় বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকার দুই ভাগে রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টের প্রথম অংশে মেদিনীপুরের হাসপাতালের স্যালাইনে কোনও ভেজাল বা দূষণ ছিল না। সেই অংশের রিপোর্ট প্রকাশনা হবে ও মামলাকারীদের দেওয়া হবে। এমনকি দ্বিতীয় অংশ রাখা থাকবে আদালতের কাছে। দ্বিতীয় অংশ আদালত পড়বে পরবর্তী শুনানিতে। পাশাপাশি আদালত ক্ষতিপূরণের বিষয়ে জানতে। তখন রাজ্য সরকার পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয় তাদের ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়েছে এমনকি চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে এই মামলা কোন দিকে মন নেই সেটা জানা যাবে পরবর্তী শুনানিতে দ্বিতীয় অংশের রিপোর্টে।







