অফবিট

পাহাড়ের মেয়ে সাক্ষী প্রধান একটি অনন্য এবং স্বতন্ত্র উদাহরন উপস্থাপন করলেন

চূড়ার স্বপ্ন দেখে এবং নিজের লক্ষ্য’র দিকে অগ্রসর হতে থাকে, কিছুই অসম্ভব নয়।পাহাড়ের মেয়ে সাক্ষী প্রধান একটি অনন্য এবং স্বতন্ত্র উদাহরন উপস্থাপন করেছেন।

সাক্ষী প্রধান দার্জিলিং পর্বতের চূড়া থেকে আকাশের উচ্চতা পরিমাপ করার জন্য আমাদের এলাকার প্রথম বাণিজ্যিক পাইলট হয়েছেন।ছোটবেলা থেকেই উচ্চকাঙ্খী সাক্ষী তার বাবা একটি কেন্দ্রীয় সংস্থায় চাকরীরত। বাড়িতে আর্থিক অনটন তো নেইই।তার পরিবর্তে তার পরিবারের সহযোগীতা পেয়েছেন। পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী সাক্ষী ছোটবেলা থেকেই পাইলট হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করতেন।কলকাতা এবং দিল্লীতে ট্রেনিং নেওয়া সাক্ষী নিজেই কলকাতা থেকে তার প্রশিক্ষন শেষ করেছেন। তারপর চলে যান দিল্লীতে। এখন তিনি সম্পুর্নরুপে পাইলট।জানালেন কবে নিয়ে যাব উড়ান আকাশে সেটা নিয়েই ভাবছি আমি।আমি চাই আরো আরো দুরে চলে যেতে। তবেই আমার আসল ইচ্ছা পূরন হবে।জানালেন সাক্ষী।আমি চাই অনেক অনেক জায়গাতে উড়ে যেতে।তাই তো আজ আমি পাইলট জানালেন তিনি। সাক্ষী এখন কলকাতায় তার ফেরার অপেক্ষায় তার বাবা,মা দাদা বৌদি এবং পাড়া প্রতিবেশীরা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.