চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫-এ আজ রাওয়ালপিন্ডিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। তবে ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আবহাওয়া। আগের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা লড়াই বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার পর আজও একই শঙ্কা। যদি বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তবে দুই দলই জয়ের স্বাদ না পেয়েই বিদায় নিতে পারে।
নিজেদের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলেও পাকিস্তানের পারফরম্যান্স একেবারেই আশানুরূপ হয়নি। ভারতের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হার, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাটিং ব্যর্থতা—সব মিলিয়ে বাবর আজমদের সময়টা মোটেও ভালো কাটেনি। ব্যাটিংয়ে ফখর জামানের চোটের পর আসা ইমাম-উল-হক তেমন কিছু করতে পারেননি। মোহাম্মদ রিজওয়ান সেঞ্চুরি করলেও ধারাবাহিক নন। বোলিংয়ে শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হারিস রউফ ছিলেন অনিয়ন্ত্রিত, নাসিম শাহও ছন্দে নেই।
বাংলাদেশের অবস্থাও খুব একটা আলাদা নয়। ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাব প্রকট, বিশেষ করে টপ অর্ডার একেবারেই ব্যর্থ। ভারতের বিপক্ষে বড় ধাক্কা খাওয়ার পর নিউজিল্যান্ডের মাইকেল ব্রেসওয়েলের অফস্পিনের সামনে গুঁড়িয়ে গেছে মিডল অর্ডার। তবে জাকের আলি, তৌহিদ হৃদয় ও নাজমুল হোসেন শান্ত কিছুটা লড়াই করেছেন। বোলিংয়ে তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার কাঁধে দায়িত্ব বেশি, সঙ্গে মেহেদি হাসান মিরাজ ও রিশাদ হোসেনের কাছ থেকেও বড় কিছু আশা করবে দল।
এই ম্যাচটি বাংলাদেশের অভিজ্ঞ দুই তারকা মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহর সম্ভাব্য শেষ আইসিসি টুর্নামেন্ট ম্যাচ হতে পারে। তাই তারা বিদায়টাকে স্মরণীয় করতে চাইবেন। তবে বৃষ্টি হানা দিলে সেই সুযোগ হয়তো আর আসবে না। যদি ম্যাচ মাঠে না গড়ায়, তবে দুই দলই হতাশাজনক পারফরম্যান্সের ছাপ রেখে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বিদায় নেবে।







