৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে উৎসবের আবহে সকাল থেকেই শুরু হয় জাতীয় উদযাপন। রাজধানী দিল্লির ঐতিহাসিক লালকেল্লা প্রাঙ্গণে ঐতিহ্য মেনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অ-কংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এই নিয়ে টানা দ্বাদশবার তিনি লালকেল্লা থেকে স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিলেন। দিনটির মাহাত্ম্য ও জাতীয় গৌরবের কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি মোদি তাঁর দীর্ঘ বক্তব্যে তুলে ধরেন “বিকশিত ভারত ” গড়ে তোলার পরিকল্পনা, পাশাপাশি দেন আসন্ন দীপাবলিতে এক বিশেষ আনন্দের ঘোষণা।
ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানান, খুব শিগগিরি কার্যকর হতে চলেছে “নেক্সট জেনারেশন GST রিফর্মস ” বা জিএসটির পরবর্তী ধাপের সংস্কার। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই নতুন সংস্কারের ফলে সারা দেশে কর কাঠামো আরও সহজ হবে, করের হার হ্রাস পাবে এবং কর দেওয়ার প্রক্রিয়াও হবে সরলতর। এর ফলে সাধারণ মানুষ যেমন উপকৃত হবেন, তেমনই ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্রের উন্নতিও ত্বরান্বিত হবে।
মোদি স্মরণ করিয়ে দেন, গত আট বছরে জিএসটির ক্ষেত্রে বহু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। করের বোঝা কমানো, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর ব্যবস্থা সহজীকরণের মতো পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে। এখন সেই সমস্ত পরিবর্তন নতুনভাবে মূল্যায়নের সময় এসেছে। এজন্য একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং দেশজুড়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক দফায় পরামর্শ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন “দীপাবলির আগে করের বোঝা আরও হালকা হবে, সঙ্গে থাকবে অতিরিক্ত সুবিধা। এবারের দীপাবলি হবে সত্যিই এক ‘ডাবল দিওয়ালি’ ।”
এদিনের ভাষণে তিনি আরও জানান, সরকারের লক্ষ্য শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের জীবনমান উন্নত করা এবং কর প্রক্রিয়াকে এমনভাবে গড়ে তোলা যাতে তা মানুষের কাছে ঝামেলামুক্ত হয়। তাঁর মতে, “নেক্সট জেনারেশন GST সংস্কার” সেই লক্ষ্যপূরণের পথে এক বড় পদক্ষেপ।







