চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মানেই উত্তেজনা, চমক, এবং ইতিহাস লেখা। তবে মঙ্গলবার রাতের সেমিফাইনাল যেন ছাপিয়ে গেল সবকিছু। বার্সেলোনার চোখে যখন ত্রিমুকুট জয়ের স্বপ্ন ঝিলিক দিচ্ছে, তখনই সান সিরোর মাটিতে নাটকীয়ভাবে ভেঙে গেল তাদের স্বপ্ন। দুই পর্বের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে সিমোনে ইনজাঘির ইন্টার মিলান ৭-৬ গোলে জয়ী হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো উঠল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে।
দ্বিতীয় পর্বের শুরুটা ছিল ইন্টারের স্বপ্নের মতো। প্রথমার্ধে লাউতারো মার্তিনেস ও হাকান চ্যালহানোগ্লুর গোলে ২-০ এগিয়ে যায় তারা। সেই মুহূর্তে মনে হচ্ছিল, ফাইনালের টিকিট ইতালির দলটির হাতে চলে এসেছে। কিন্তু ফুটবল শুধুই স্কোরলাইনের খেলা নয়, আত্মবিশ্বাস আর প্রত্যাবর্তনের খেলাও বটে। দ্বিতীয়ার্ধে বার্সা দেখাল ঠিক সেটাই।
এরিক গার্সিয়ার গোলে শুরু, দানি অলমোর পা থেকে সমতা, এরপর রাফিনহার গোলে ৮৭ মিনিটে এগিয়ে যায় বার্সা। ৬-৫ ব্যবধানে যখন এগিয়ে কাতালানরা, তখনই এসার্বির নাটকীয় গোল ম্যাচ ফিরিয়ে আনে ৬-৬ তে। অতিরিক্ত সময়ে বদলি হিসেবে নামা ফ্রাত্তেসির ৯৯ মিনিটের গোলই হয়ে দাঁড়ায় নিষ্পত্তির মুহূর্ত।
ইন্টারের কোচ ইনজাঘি ম্যাচশেষে প্রশংসায় ভাসালেন দলের লড়াকু মানসিকতা। আর বার্সা কোচ হান্সি ফ্লিক হতাশ হলেও খেলোয়াড়দের সাহস ও লড়াইয়ের প্রশংসা করলেন। ইতিহাস বলছে, বড় মঞ্চে ফর্ম নয়, দরকার আত্মবিশ্বাস ও ধৈর্যের, আর তারই অনবদ্য প্রমাণ রেখে গেল ইন্টার মিলান।







