৭ মে, ২০২৫, পুলওয়ামার জবাব দিতে ভারত শুরু করে ‘অপারেশন সিঁদুর’। মাত্র ২৬ মিনিটে পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। হতচকিত পাকিস্তান পাল্টা হামলার চেষ্টা করে, যা শনিবার পর্যন্ত উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
এই পরিস্থিতিতে, বিকেলে হস্তক্ষেপ করে আমেরিকা। জানায় সংঘর্ষ বিরতির কথা, যা ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই নিশ্চিত করে। তবে রাত গড়াতে না গড়াতেই ফের ড্রোন হামলা চালায় পাকিস্তান, যেটি ভারত সফলভাবে রুখে দেয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, “এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে সাহায্য করতে পেরে গর্বিত।” CNN জানায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স সরাসরি মোদীকে ফোন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে NDTV জানায়, আমেরিকার স্পষ্ট বার্তা ছিল— দেরি না করে ‘অফিশিয়াল হটলাইন’ ব্যবহার করে পরিস্থিতি শান্ত করতে হবে।
দিল্লির তরফে জানানো হয়, পাকিস্তানের ডিজিএমও ফোন করেন ভারতীয় সেনাপ্রধান রাজীব ঘাইকে। যদিও দিল্লি বারবার স্পষ্ট করে, তারা কোনও কূটনৈতিক আলোচনায় জড়াবে না এবং পরবর্তী পর্যায়ে শক্তি ও অর্থনীতিকে লক্ষ্য করে অভিযান চালাতে প্রস্তুত ছিল।
নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, ভারতের স্ট্রাইক হয় রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানঘাঁটিতে, যা পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবস্থার কাছে অবস্থিত। সিজ ফায়ার না হলে, পরিণতি মারাত্মক হতে পারত।
শেষ পর্যন্ত প্রশ্ন থেকেই যায়— সংঘর্ষ বিরতির পরেও কেন ড্রোন হামলা? পাক সেনার পেশাদারিত্ব নিয়েও তাই উঠছে বড় প্রশ্ন।







