বিকাশ ভবনের সামনে চাকরি প্রার্থীদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় এবার মুখ খুললেন বারাসাতের বিধায়ক ও জনপ্রিয় অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। রবিবার বারাসাত ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “যুদ্ধ যেমন খারাপ, তেমনই লাঠিচার্জও খারাপ। আমি কখনওই যুদ্ধ বা হিংসার পক্ষে নই। রাজ্যের চাকরি প্রার্থীদের উপর এই ধরনের আচরণ আমি সমর্থন করি না।”
চিরঞ্জিত বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি স্পষ্ট জানিয়েছি এবার নতুন কিছু দরকার। যদি তিনি মনে করেন বারাসাত থেকে ২০২৬-এ অন্য কাউকে প্রার্থী করা উচিত, তবে তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমি কোনোদিনই পুরোদস্তুর রাজনীতিবিদ নই, আমি সিনেমার মানুষ। রাজনীতি আমার প্রধান লক্ষ্য নয়।”
বিধায়ক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি একজন শিল্পী হিসেবেও তিনি সবসময় মানুষের পাশে থাকার বার্তা দেন। বিকাশ ভবনের ঘটনার কড়া সমালোচনা করে চিরঞ্জিত জানান, প্রতিবাদ গণতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেখানে পুলিশের লাঠিচার্জ গণতান্ত্রিক পরিবেশকে আহত করে।
চিরঞ্জিতের এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন চর্চার জন্ম দিয়েছে। তিনি কি তবে এবার রাজনীতি থেকে ধীরে ধীরে সরে আসতে চাইছেন? নাকি দলীয় দায়িত্ব পালনের মধ্যেও একজন মানবিক শিল্পীর কণ্ঠস্বর প্রকাশ পেল? আগামী দিনে তার অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নজর থাকবে সকলের।







