শান্তিপুরের প্লাস্টিক কারখানায় বিধ্বংসী আগুন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল ভোর রাতে। খবর পেয়ে মেয়ের বিয়ে ছেড়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন কারখানার মালিক গিরীশ রায়। চারটি দমকল ইঞ্জিনের তিন ঘন্টার প্রচেষ্টায় শেষে নিয়ন্ত্রণে আসে সেই আগুন। কারখানার মালিক জানিয়েছেন এই আগুনের ফলে অনেক ক্ষতি হয়েছে তার।
মেয়ের বিয়ে নিয়েই মেতেছিল বাবা সহ গোটা পরিবার। হঠাৎ মাঝ রাতে খবর এলো যে তার কারখানায় আগুন লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় কারখানার মালিক গিরীশ রায়। টানা তিন ঘন্টা ধরে লাগাতার প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকলের তিনটি ইঞ্জিন। ঘটনাস্থলে এসে গিরিশ বাবু জানান,”কারখানার প্রচুর জিনিস পুড়ে গিয়েছে। কতটা কী ক্ষতি হল, এখনও হিসাব করে উঠতে পারিনি। কী ভাবে আগুন লাগল বুঝতে পারছি না।”
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে রোজকার মতোই কাজ শেষ করে কারখানা বন্ধ করে বাড়িতে যায় শ্রমিকরা। কেন আগুন লাগল সেই কারণ এখনো জানতে পারেনি কেউই। পুলিশ সূত্রে আর বলা হয়েছে কারখানায় মজুদ ছিল একাধিক প্লাস্টিক ও ধার্য পদার্থ সেজন্যই আগুন এতটা ছড়িয়ে ছিল। তবে অবশেষে দমকল কর্মীর প্রচেষ্টায় সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সক্ষম হয়েছে।







